অক্ষয়ের কুকীর্তি ঢাকতে অভিনেত্রীকে ১০ কোটি টাকা খাইয়েছেন স্ত্রী টুইংকেল খান্না!

২০২০ সালের জুন মাসে বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের(Sushant Shingh Rajput) মৃত্যুর পর গোটা বলিউডে কালো দিন ঘনিয়ে আসে। নেপোটিজমের মতন বিষয় নিয়ে অনেকে সোচ্চার হন। আর এরপরই বলিউডের অনেক স্টারকিডদের দোষারোপ করতে শুরু করেন সাধারণ মানুষ। এই নেপোটিজমের জেরে অনেক বড়সড় অভিনেতা, অভিনেত্রী সহ অনেক পরিচালককে নিয়েও বেশ গুঞ্জন শোনা যায়। তবে ধীরে ধীরে দিন যত এগিয়েছে ততই তা স্তিমিত হয়ে এসেছে৷ কিন্তু মানুষের মনে থেকে গিয়েছে বলিউডে নেপোটিজমের মতন একটি বিষয়ও রয়েছে যার জন্য স্টারকিডরা সহজেই অভিনয় জগতে প্রবেশের সুযোগ পায়।

এছাড়া বলিউডে মাদকের মতন দ্রব্যের বিষয়ও জড়িয়ে তা অনেক অভিনেত্রীই খোলসা করেছেন। কিন্তু এছাড়াও ২০১৮ সাল নাগাদ বলিউডে একটি ঝড় আসে আর তা হল ‘মি টু’। এই ‘মি টু’ এর আক্ষরিক অর্থ হল ‘আমিও’। যারা যৌন হেনস্তার শিকার হন তারাই সাধারণত ‘মি টু’-তে অংশগ্রহণ করেন। এই ‘মি টু’ এর স্রষ্টা হলেন টারানা বার্ক। ‘মি টু’ আন্দোলন আজ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়লেও এর আঁচ বলিউডেও পড়েছিল। একটি সময়ে যখন অক্ষয় কুমারের নায়িকা বলিউড অভিনেত্রী অদিতি রাও(Aditi Rao Hydari) এই বিষয় নিয়ে মুখ খোলেন তখন অনেকেই অবাক হন।

এর পাশাপাশি স্তম্ভিত হয়ে যান অক্ষয় স্ত্রী টুইঙ্কল খান্না। ‘মি টু’ আন্দোলন যখন বলিউডে প্রবেশ করে তখন একের পর এক অভিনেত্রী তাদের সাথে হয়ে যাওয়া ঘটনা নিয়ে মুখ খোলেন। এর পাশাপাশি টুইঙ্কল খান্নাও পোস্ট করেন, “মহিলাদের সঙ্গে কী অন্যায় হচ্ছে তা তাদের মুখ খুলে জানাতে হবে”। এই টুইটের রিটুইট করেন অক্ষয় কুমারের(Akshay Kumar) নায়িকা অদিতি রাও(Aditi Rao Hydari)। তার রিটুইটের সারমর্ম এই যে, ” যারা ভালো করে জানেন তাদের স্বামী যৌন হেনস্তা করে থাকেন, সেই তারাই আবার ‘মি টু’ নিয়ে জ্ঞান দিচ্ছেন। এর আগে নিজেদের স্বামীর উপর নজর রাখুন”।

এই ঘটনার পর গোটা ঘটনার মোড় নেয় অভিনেতা অক্ষয় কুমারের(Akshay Kumar) দিকে। এরপর অভিনেতা ‘মি টু’ আন্দোলনকে সমর্থন করে একটি টুইট করে লেখেন, “যতদিন ঘটনার তদন্ত না হচ্ছে ততদিন আমি এমন কারোর সঙ্গে কাজ করবো না যারা যৌন হেনস্তায় অভিযুক্ত”।

টুইট রিটুইটের খেলায় গুঞ্জন শুরু হয়। এরপর টুইঙ্কল খান্না(Twinkle Khanna) টাকা নিয়ে মাঠে নামেন। জানা যায় তিনি নিজের স্বামীর কলঙ্ক ঢাকতে অদিতির(Aditi Rao Hydari) কাছে ১০ কোটি টাকার চেক পাঠান। এছাড়া বড় বড় মিডিয়া হাউসগুলিকে মোটা টাকা পৌঁছে দেন মুখ বন্ধ করার জন্য। তবে শেষে কী হয়েছিল তা কারোর জানা নেই।