এত বয়সেও এখনও ইয়ং, শরীর ফিট রাখার গোপন টিপস শেয়ার করলেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি

ছোটবেলা থেকেই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মহীরুহদের খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। উত্তমকুমার-সুচিত্রা সেনের মতো অভিনেতাদের মধ্যে প্রায় কোলে চড়ে বড় হয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে তিনিই হয়ে উঠলেন বাংলা সিনেমার অন্যতম মুখ মহানায়ক প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি পশ্চিমবঙ্গের বাংলা চলচ্চিত্রের নায়ক হিসাবে শীর্ষস্থানে আছেন। বিখ্যাত বাংলা এবং হিন্দি ছবির নায়ক বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের একমাত্র পুত্র তিনি। প্রসেনজিৎ শিশুশিল্পী হিসাবে প্রথম অভিনয় করেন তার বাবা বিশ্বজিৎ পরিচালিত ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’তে। ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে ‘দুটি পাতা’ ছবিতে প্রথম নায়ক হিসাবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে।

এছাড়াও প্রসেনজিৎ ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে ডেভিড ধাওয়ানের পরিচালনায় ‘আঁধিয়া’ এবং ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে মেহুল কুমারের পরিচালনায় ‘মিত মেরে মন কে’ নামে দু’টি হিন্দি ছবিতে নায়ক হিসাবে অভিনয় করেন। কিন্তু কোনও ছবিই সফলতা লাভ করেনি। এমনকি ঋতুপর্ণ ঘোষ পরিচালিত উনিশে এপ্রিল, উত্সব, চোখের বালি, দোসর, খেলা এবং দ্য লাস্ট লিয়র ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। কিন্তু তাঁর অভিনয় জগতে বিশেষ নাম থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত জীবন কিন্তু খুব সুখকর ছিল না।প্রথম থেকেই নানা টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে তাঁর জীবন অতিবাহিত হয়েছে।

যাই হোক এইতো গেল নায়কের জীবনী। কিন্তু আপনারা জানেন কি! অভিনেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব সক্রিয়, ছোটবেলার নানা ছবি তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভর্তি। তিনি নিজের শরীর নিয়েও কিন্তু খুব সচেতন। রীতিমতো শরীর ফিট রাখার জন্য ডেইলি শরীরচর্চার কাজে নিজেকে লিপ্ত রাখেন। সম্প্রতি তিনি একটি ইনস্টাগ্রাম রিল ভিডিও পোস্ট করেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে, নায়ক জোরকদমে নিজের শরীরচর্চা নিয়ে ব্যস্ত। এবং শুধু তাই নয়, ক্যাপশনে লিখেছেন, “Last year has reminded us once again that health is truly our most precious wealth, stay fit, stay well” অর্থাৎ “তিনি এই লেখার মাধ্যমে বোঝালেন, গত বছর আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে যে স্বাস্থ্যই আমাদের মূল সম্পদ, সুতরাং ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন”। অর্থাৎ প্রসেনজিৎ নিজের শরীরচর্চার ভিডিও পোস্ট করে শরীর সুস্থ ও ফিট রাখার একটি টিপস দিলেন।

তিনি আরেকবার মনে করিয়ে দিলেন, ২০২০ সাল। যে আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছিল জীবন বদলে যেতে বেশি সময় লাগে না, শুধু একটি ভাইরাসের দাপটে মুড়িয়ে গিয়েছিল আপামর বিশ্ববাসী। করোনা এমন কিছু বিধিনিষেধ, নিয়ন্ত্রণ, পরিবর্তন নিয়ে এসেছিল, যার কথা আগে কখনই ভাবেনি কেউ। যেখানে নিজের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় স্বাধীনতাটাই চুরি হয়ে যায়। কী রাষ্ট্রীয় জীবন, কী সামাজিক জীবন, কী ব্যক্তিজীবন— সর্বত্রই আঁচড় বসিয়েছিল করোনা ভাইরাস। সভ্যতার মুখে মুখোশ পরিয়ে, অর্থনীতির পায়ে বেড়ি এঁটে ঘরে ঢুকে পড়েছিল গোটা বিশ্ব। আর আমাদের অভিধানে যুক্ত হয়ে গেল লকডাউন, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং, কন্টেনমেন্ট জোন, ওয়ার্ক ফ্রম হোম, অনলাইন ক্লাস, মাস্ক, অক্সিমিটার, স্যানিটাইজারের মতো শব্দগুলো।