গোলাপি শাড়ি, শাঁখা-পলা-সিঁদুর পরে যশের সঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে নুসরত, জল্পনা তুঙ্গে টলিপাড়ায়

কথায় আছে, সত্য কখনও লুকোনো থাকেনা। একথা কতোটা প্রাসঙ্গিক তা বলা না গেলেও, এখন যে সোশ্যাল মিডিয়ার থেকে কিছু লুকোনো যায় না। তার প্রমাণ পাওয়া গেছে বহুবার। এমনিতেই সাংসদ অভিনেত্রী নুসরাতের স্বামী নিখিলের সাথে সম্পর্ক ভাঙা নিয়ে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে টলিপাড়ার ওলি গলি সর্বত্র।

তার উপরে আবার গুঞ্জন যশের সাথে প্রেমের সম্পর্কের সৃষ্টি হয়েছে তাঁর আর এইকারণেই স্বামী নিখিলের ঘর করছেননা তিনি। আপাতত নিখিলের সাথে আর এক ছাদের তলায় থাকছেন না বলে নিজেই জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে। এরই মধ্যে এমন এক দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় উঠে এসেছে, যা স্পষ্ট করে যশের সাথে নুসরাতের সম্পর্ক।

যদিও এর আগেও তাঁদের রাজস্থানের মরুভূমিতে এবং আজমের শরিফের দরগার বাইরেও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে এইবার যে দৃশ্য সামনে এসেছে তা একেবারেই আলাদা। কারণ এইবার ফ্রেমে যশ রতের সাথে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা মদন মিত্রও। দক্ষিণেশ্বর ভবতারিণী মায়ের মন্দিরে তাঁদের একসাথে দেখা গেল।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, নুসরাতকে বেশ ঘনিষ্ঠ হয়েই মদন মিত্রের সাথে কথা বলতে। হাতও মেলান তাঁরা। আর নুসরাতের একদম পাশেই দাঁড়িয়ে রয়েছেন যশ। ঘটনাটি ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের বলেই জানা যাচ্ছে। রহস্য ক্রমশ বেড়ে চলেছে কারণ, সেদিন নুসরাতের পরণে ছিল গোলাপী কাঞ্জিভরম শাড়ি, হাতে শাঁকা-পলা ও সিঁথিতে সিঁদুর। তবে সাথে ছিলেন না স্বামী নিখিল, ছিলেন যশ সেনগুপ্ত। যশের পরণে ছিল নেভি ব্লু রঙের টি শার্ট, মাথায় টুপি এবং মুখে মাস্ক। অন্যদিকে মদন মিত্রের উপস্থিতি জল্পনা বাড়িয়েছে আরো। কি এমন এমন জরুরি কাজে এই তিন মূর্তি উপস্থিত হয়েছিলেন মায়ের মন্দিরে! তাঁরা কি আগে থেকেই পরিকল্পনা করে গিয়েছিলেন নাকি যশ রত জুটির সাথে মদন মিত্রের হঠাৎ দেখা! তার উত্তর মেলেনি এখনও। তবে তৃণমূলের একাংশ জানিয়েছেন, যেহেতু মদন মিত্র কামারহাটির বিধায়ক ছিলেন একসময়। আর কামারহাটি থেকে দক্ষিণেশ্বর কাছেই, তাই হয়তো মায়ের দর্শনেই গিয়েছিলেন এই তৃণমূল নেতা। তবে নেটিজেনদের মধ্যে জল্পনা ক্রমশ বাড়িয়েই তুলছে এইসব ক্লিপ।