জুয়া খেলে ফকির! সোনার হার ছিনতাই করে গ্রেফতার ‘তারক মেহতা কা উল্টা চশমা’র অভিনেতা

হায় হায় এ কি কান্ড! অভিনেতা থেকে সরাসরি ছিনতাইবাজ। অবশেষে ছিনতাইয়ের দায়ে গ্রেফতার হলেন ‘তারক মেহ্তা কা উল্টা চশমা’ ধারাবাহিকের অভিনেতা মিরাজ কাপড়ি। কি অবাক হচ্ছেন তো! যে কি এমন হল যে এত বড় একজন অভিনেতাকে সৎ পথ ছেড়ে অসৎ পথে নামতে হল! চলুন ব্যাপারটা তাহলে খোলসা করেই বলা যাক! জুয়ায় হেরে দেনা মেটাতে গিয়ে শেষমেশ চুরির আশ্রয় নিতে হল মিরাজ কাপড়িকে। শোনা যায়, মুম্বইয়ের রাস্তায় এক বৃদ্ধার গলার হার টেনে নিয়ে পালিয়ে যান মিরাজ বল্লভদাস কাপরি, তবে তিনি একা নন, সঙ্গে ছিলেন তাঁর একজন বন্ধু বৈভব বাবু যাদব। তারপরেই সুরাট থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে চোর। না, এটি পুরোপুরিই একটি সত্য ঘটনা, কোনও ধারাবাহিকের নাটুকে গল্প নয়। সূত্রের খবর, অভিনয় ছেড়ে বেশকিছুদিন ধরে তিনি জুয়া খেলায় মেতেছিলেন। জানা যায়, ক্রিকেট বেটিংয়ে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা খুইয়েছিলেন এই অভিনেতা। শেষে সেই দেনা মেটাতেই মুম্বইয়ের অলিতে গলিতে চুরি, ছিনতাই শুরু করেন তিনি। তবে এতে তাঁকে সঙ্গ দেন তাঁর বন্ধু বৈভব, তাঁর সঙ্গেই ছিনতাইয়ের রাস্তায় নামেন মিরাজ। কিছুদিন থেকেই ছিনতাই করছিলেন তিনি বৈভবের সঙ্গে। যদিও বৈভব এর আগেই পুলিশের খাতায় নাম তুলেছেন নিজের।

জুনাগড়ের বাসিন্দা মিরাজ ও বৈভবকে গ্রেফতার করে তাঁদের চুরি করা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। তাঁদের থেকে পাওয়া গিয়েছে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার মালপত্র, ৩টি সোনার হার, ২টি মোবাইল ফোন, কয়েকটি বাইক। সবটাই ছিনতাইয়ের জিনিস। উল্লেখ্য, মিরাজ কাপড়ি ‘তারক মেহতা কী উল্টা চশমা’ছাড়াও ‘থাপকি প্যায়ার কী’,’মেরে অঙ্গনে মে ‘-এর মতো একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকেও অভিনয় করেছেন। এছাড়া ফিটনেস প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করেন তিনি।

সম্প্রতি,সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ২ জনের নামে ২টি আলাদা মামলা রুজু করা হয়েছে। যদিও এখন তদন্ত শেষের পথে। জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়ে দোষ স্বীকার করেছেন ২ অপরাধী। শেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, এতদিন যাবৎ কার কার কাছে তাঁরা চুরির জিনিষপত্র বিক্রি করেছে, তারই তদন্তে নেমেছে পুলিশ।