‘ভেবেছিলাম জীবন শেষ হয়ে গিয়েছে’,২০০৪ সালের ভাইরাল হওয়া সেক্স টেপ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী ‘প্যারিস হিলটন’

News Desk

April 19, 2021 | 2:59 PM
blog image

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে প্রতিনিয়ত নানান ছবি, ভিডিও এবং খবর। সোশ্যাল মিডিয়াকে কেউ খারাপভাবে ব্যবহার করছেন এবার কেউ ভালো কাজে। ২০০৪ সালে এক ব্যক্তি খারাপ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছিলেন এই মাধ্যমকে। ফলস্বরূপ ২০০৪ সালে ভাইরাল হয়েছিল আমেরিকান অভিনেত্রী, গায়ক এবং মডেল প্যারিস হিলটনের একটি সেক্স টেপ। সম্প্রতি প্যারিস সাম্প্রতি সাক্ষাৎকারে এই বসায় নিয়ে কথা বলতে সোনা গেলো প্যারিস হিলটনকে।এই সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী দাবি করেছিলেন, ‘তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক রিক সালোমন তাঁদের ব্যক্তিগত মুহুর্তের একটি ভিডিও তৈরি করেছিলেন এবং সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন’।অভিনেত্রী আরো জানান, সেই ঘটনার কথা বলতে গেলে এখনও ভয় পেয়ে যাই, হাত-পা কাঁপে, চোখে জল চলে আসে।

আরও পড়ুন :   ৮ মাসেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ভাগ্যলক্ষ্মী’, মুখ খুললেন ধারাবাহিকের নায়ক-নায়িকা

তাঁর যে সেক্স টেপটি ভাইরাল হয়েছিল, তাঁর নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ওয়ান নাইট ইন প্যারিস’। অভিনেত্রীর প্রাক্তন প্রেমিক রিক সলোমন সেই টেপটি অ্যাডাল্ট এন্টারটেনমেন্ট ডিসট্রিবিটর রেড লাইট ডিস্ট্রক্টকে বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এটা ঠিক সেই সময় মুক্তি পেয়েছিলো যখন হিলটনের রিয়েলিটি টিভি শো ‘দ্য সিম্পল লাইফ’-এর দ্বিতীয় সিজনের মুক্তি পেতে চলেছিল। যদিও অনেকেই মনে করেছিলেন আর পেছনে হিলটনের নিজস্ব হাত রয়েছে। কিন্তু এটা পরে স্পষ্ট হয়ে যায়। সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ‘টেপটি তাঁর অনুমতি ছাড়াই সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হয়েছিল। যা দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন’।


ভিডিও


প্যারিস সাম্প্রতি সাক্ষাত্কারে বলেছন, ‘পুরো ঘটনাটা আমার কাছে অত্যন্ত অপমানজনক ছিল। আমার এখনও সেই দিনটার কথা মনে আছে, যা ভাবলেও গায়ে কাঁটা দেয়। একেকজন একেকভাবে এটার ব্যাখ্যা করেছিল। আমি সবার বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছি। তখন দিনরাত কাঁদতাম। এমনকী বাড়ির বাইরে বের হতে পারতাম না। আমার মনে হয়েছিল, আমার জীবন শেষ হয়ে গিয়েছে।’

প্যারিস আরও বলেন, ‘এটি খুব ব্যক্তিগত একটা ব্যাপার। যখন দুটো মানুষ একে-অপরকে ভালোবাসে তখন খুব স্বাভাবিকও। কিন্তু, কীভাবে তা কেউ জনসাধারণ সামনে নিয়ে আসতে পারে!’ প্যারিস তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকের বিরুদ্ধে সে সময় মানহানির মামলা করেন। তাঁকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপরে দু’জনের সহমতে ২০০৫ সালে মামলাটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফায়ার আসেন অভিনেত্রী।