যে অভিনেত্রীরা স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন

বিবাহ বিচ্ছেদের পথে কি শুধু সাধারণ মানুষ হাঁটেন? বিবাহের মত আনন্দময় অনুভতির ভয়ঙ্কর রূপ কি শুধুই সাধারণ মানুষরা দেখেন? মানসিক বা শারীরিক যন্ত্রণার শিকার কি শুধুই সাধারণ ঘরের মানুষরা হয়? এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর ‘ না ‘।

বহু সেলিব্রিটি আজ বিবাহের ভয়ঙ্কর পরিণতির শিকার। বহু সেলিব্রিটি আজ ডিভোর্সের পথে হাঁটছেন। বহু সেলিব্রিটি আজ মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণার শিকার। কারা রয়েছেন এই লিস্টে?

প্রথমেই আসি শ্বেতা তিওয়ারি প্রসঙ্গে। শ্বেতার প্রথম স্বামী রাজা চৌধুরি। দ্বিতীয় বার বিয়ে করেও সেপারেশন রয়েছেন তিনি। সেখানেও অন্য নরক যন্ত্রণা। তবে প্রথম বিয়ের স্মৃতি অত্যন্ত ভয়নক। প্রসঙ্গত, রাজার ও শ্বেতার মেয়ে পলক। শ্বেতা জানিয়েছেন, ‘মেয়ের তখন ছ বছর বয়স। স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে ও দেখছে ওর বাবা আমাকে মারছে। নাক মুখ থেকে আমার রক্ত বেরোচ্ছে। সেই দিনই আমি ভাবি ডিভোর্সের কথা।

২০০৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরের সঙ্গে বিয়ে হয় করিশ্মার। কিন্তু সুখ দীর্ঘায়িত হয়নি। সঞ্জয় দাবি করেন, তাঁর অভিনেত্রী স্ত্রী অর্থের জন্যই তাঁকে বিয়ে করেছেন। এমনকি, বিয়ের পর প্রথম রাতেই করিশ্মাকে নিলামে তুলেছিলেন তাঁর স্বামী, এমন অভিযোগ  আনেন তিনি।

একটা সময় সুজান খান হৃতিককেই তিনি ‘বেস্টফ্রেন্ড ফরেএভার’ বলে মনে করেন । এখনও তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকলেও তারা বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়েছেন এবং হৃত্বিক কঙ্গনা রানাউতের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক জড়ান।

অভিনেত্রী দলজিৎ কৌর নিজেও নারী নির্যাতনের শিকার। তিনি বিয়ের পর টানা ছ’বছর স্বামীর হাতে মার খেয়েছেন। পণের জন্য কথা শুনতে হত এবং মার খেতে হত। এমনকি খুন করার চেষ্টা করে এই অভিনেত্রীর স্বামী। বর্তমানে বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে ভালো আছেন তিনি।

মিষ্টি অভিনেত্রী রশমি দেশাই উত্তরণ ধারাবাহিকের নায়কের সঙ্গে বিয়ে করেন। এই নায়িকাও স্বামীর হাতে নারী নির্যাতনের শিকার হন। তবে ইনি ডিভোর্স করলেও কখনও মিডিয়ার সামনে স্বামীকে নিয়ে মুখ খোলেননি। রেশমি শুধু বলেছিলেন আমার বিয়েটা আনন্দের ছিল না।