কাঠ কুড়িয়ে চলত জীবন, ৩০ টাকার লটারি কেটে বদলে গেল ভাগ্য, রইল বিস্তারিত

28

এ যেন ঠিক কাঠুরিয়ার বনবিবির আশির্বাদ পাওয়ার গল্প। এবার রূপকথায় নয় বাস্তবে লটারি জিতলেন এক কাঠুরিয়া। তাও আবার এক দুই হাজার নয় একেবারে ১ কোটি। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। প্রথমে নিজের চোখ আর কানকেই বিশ্বাস করাতে পারছিলেন ওই ব্যক্তি নিজেই। লোকমুখে শুনে অবশেষে নিশ্চিত হন তিনি।

আলিপুরদুয়ার জেলার কালচিনির বাসিন্দা বছর পঞ্চাশের সজত রাভার। রাভা বস্তি এলাকাতেই নিজের জীবনের বেশিরভাগ সময় অতিবাহিত করেছেন তিনি। ছাপোষা ভদ্র প্রকৃতির লোক, পেশা কাঠ কুড়ানো। জঙ্গল থেকে কাঠ কেটে মাথায় বোঝাই করে বাড়ি বাড়ি বিক্রি করতেন। আবার কখনো নিজের গৃহস্থালির কাজে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতেন কাঠ। তবে সবদিন সমান রোজগার হতো না। কখনো একবেলা ভাত কাটাতে হতো সজত বাবুর পরিবারকে। এভাবেই সুখে দুঃখে দিন কেটে যাচ্ছিল।

আরও পড়ুন:   বাস্তবে দেখা মিলল ৫০ ফুটের অ্যানাকোন্ডা সাপ, নেটদুনিয়ায় তুমুল ভাইরাল ভিডিও

মঙ্গলবার রাতে মাত্র ৩০ টাকার বিনিময়ে নাগাল্যান্ড রাজ্যের এক সেট লটারি কেনেন তিনি।আগে কখনো লটারি কাটার নেশা না থাকলেও নিছক কৌতুহলের বশে লটারি কিনে নেন সজত বাবু।বুধবার রেজাল্ট বের হতেই কেল্লা ফতে। এক কোটি জিতেছেন তিনি। প্রথমটায় স্বপ্ন বলে মনে হলেও স্থানীয়দের পরামর্শে কালচিনি থানায় টিকিট নিয়ে গেলে পুলিশের কথায় স্বস্তি ফেরে।আপাতত তার লটারি জেতা টাকার ব্যাপারটা পুরো দেখভাল করবে পুলিশ। টাকা পেয়ে বাকি জীবনটা সস্ত্রীক আনন্দ আর ফুর্তিতে কাটাতে চান।

আরও পড়ুন:   পথ দুর্ঘটনায় মারা গেছে ছেলে, টানা ৩২ বছর বিনা পারিশ্রমিকে ট্রাফিক সামলাচ্ছেন বাবা

কিছুদিন আগে মালদা ও দক্ষিণ দিনাজপুরের দুটি জায়গায় দুই হতদরিদ্র মানুষের লটারিতে এক কোটি জেতার খবর ছড়িয়ে পড়েছিল সংবাদ মাধ্যমে। তারাও সজত বাবুর মত আগামী জীবনটা ঝামেলা ছাড়াই কাটাতে চান। তবে এত আনন্দের পরেও থেকে যাচ্ছে নিরাপত্তার ভয়।সত্যিই পুলিশের কড়া নজরদারিতে লটারির টিকিট এবং টাকা আগলে রাখা যাবে তো?