আর কিছুক্ষণের মধ্যে সূর্যগ্রহণ, কখন কোথায় দেখা যাবে এই বিরল দৃশ্য জেনে নিন

বাংলা এক বিরল সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে। রবিবার ২১ শে জুন বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগুনের বিরল রিংটি দেখা যাবে। আপনি সঠিক সময়ে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ না করলে আপনি বিরল দৃশ্যটি মিস করতে পারেন। বাংলার কোন অঞ্চল থেকে এইগ্রহণটি কোন সময় দেখা যেতে পারে তা ঠিক করুন।

• কলকাতা : সকাল ১০ টা ৪৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড থেকে দুপুর ২ টো ১৭ মিনিট
• মেদিনীপুর : সকাল ১০ টা ৪৩ মিনিট থেকে দুপুর ২ টো ১৪ মিনিট ৫ সেকেন্ড
• মুর্শিদাবাদ : সকাল ১০ টা ৪৭ মিনিট থেকে দুপুর ২ টো ১৭ মিনিট ৫ সেকেন্ড পর্যন্ত।
• শিলিগুড়ি : সকাল ১০ টা ৪৭ মিনিট ৩ সেকেন্ড থেকে ২ টো ১৬ মিনিট ৭ সেকেন্ড
• মালদা : সকাল ১০ টা ৪৬ মিনিট থেকে ২ টো ১৭ মিনিট পর্যন্ত
• রায়গঞ্জ : সকাল ১০ টা ৪৬ মিনিট থেকে দুপুর ২ টো ১৬ মিনিট পর্যন্ত চলবে।
• কোচবিহার : সকাল ১০ টা ৫০ মিনিট ৫ সেকেন্ড থেকে দুপুর ২ টো ১৯ মিনিট ২ সেকেন্ড
• দার্জিলিং : সকাল ১০ টা ৪৭ মিন ২ সেকেন্ড থেকে দুপুর ২ টো ১৬ মিনিট ৩ সেকেন্ড

কোনও পরিস্থিতিতে খালি চোখে সূর্যগ্রহণ দেখা উচিত নয়। বিশেষভাবে তৈরি চশমা বা পিনহোল ক্যামেরা সহ গ্রহনটি দেখুন।চাঁদ যখন পরিভ্রমণরত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোন দর্শকের কাছে সূর্য আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যায় (কিছু সময়ের জন্য)। একে বলা হয় সূর্যগ্রহণ।

গ্রহণ নিয়ে সমাজে বিভিন্ন ধরণের কুসংস্কার রয়েছে। আপনাকে সেই সময় খেতে হবে না, আপনাকে প্রস্তুত খাবার ফেলে দিতে হবে ইত্যাদি। গ্রহণ দেখাও অনেকের কাছে নিষিদ্ধ। জ্যোতিষীরা দাবি করেন যে রাহু সূর্যকে গিলে ফেলা রাহুর ভয়ে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে আজ যখন আমরা স্পষ্টভাবে বুঝতে পারি যে পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে চাঁদ আসার ফলস্বরূপ গ্রহন হচ্ছে, সুতরাং নতুন জীবাণুগুলির জন্মের প্রশ্ন, রশ্মির বৃহত্তর প্রভাব ইত্যাদি অপ্রাসঙ্গিক।