পোর্টালের লেখকদের ‘হকার’বলে নিচু করেন অঞ্জন দত্ত, যোগ্য জবাব দিলেন ঝিলম গুপ্তা

108

“বেলা বোস”, “রঞ্জনা আমি আর আসবোনা” গানের বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী এখন বর্তমানে পরিচালক। সম্প্রতি তার murder in the hills মুক্তি পেয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ছবিটি কতদূর প্রশংসা পেয়েছে তা নিয়ে সংশয় থাকলে তিনি নিজের ক্ষোভ উগড়ে দেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তার ক্ষোভের আসল কারণ কী তা স্পষ্ট নয়, অথচ তিনি আচমকাই বাংলা পোর্টাল এবং ইউটিউব প্ল্যাটফর্মে যারা কন্টেন্ট তৈরি করেছেন তাদের সম্পর্কে নিন্দনীয় বার্তা দেন। নিজেকে এলিট ক্লাস প্রমাণের জন্য নিন্দনীয় ভাবে আক্রমণ করেন পোর্টালের কর্মরত সাংবাদিকদের এবং কন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের।

আরও পড়ুন:   নিউইয়র্কে বাংলার জয় জয়কার, মেট্রো ডিসপ্লেতে বাংলা ভাষায় লেখা, ভাইরাল ছবি

সঙ্গীত শিল্পী তথা বিশিষ্ঠ পরিচালক সাংবাদিকদের বানান ও ইউটিউবারদের কন্টেন্ট নিয়ে কড়া শব্দে সমালোচনা করেন। চলুন দেখি উনি ঠিক কী লিখলেন।

রুচিবান শিল্পী অঞ্জন দত্তের কলমে, ‘‘গুচ্ছের বাংলা পোর্টাল এবং ইউটিউব প্ল্যাটফর্ম হয়েছে ডিজিটালাইজেশন এর দৌলতে। যারা ক্রমাগত ভুল বাংলা এবং খুব খারাপ ইংরিজিতে কথা বলে নানা বিষয় মন্তব্য করে যায়। কারুর ‘শ’ এর দোষ, কারুর উচ্চারণ পরিষ্কার নয়… আমি এটা লিখছি কারণ সেই ভাবে কেউ আমাকে গালমন্দ করেননি। আর করে থাকলেও সেটা আজকের দুনিয়ায় কোনো মূল্য নেই। আমি লিখছি কারণ এই সামগ্রিক, প্রায় সর্বজনীন মিডিওক্রিটি বা মধ্যমেধা নিয়ে যে কোনো সুস্থ মানুষ অসুস্থ হয়ে যাবে। কারণ আমার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ক্রমাগত এই অশিক্ষিত নোটিফিকেশনগুলো আসে।’’

আরও পড়ুন:   সালমানের বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দেন জুহি চাওলা, তিন দশক পরে সুযোগ বুঝে বদলা নিলেন ভাইজান

এরপরেই অনেকেই নিন্দা করেন এই শব্দগুলির। এরপরেই ঝিলিম গুপ্তা এই শব্দগুলোর কড়া সমালোচনা করেন। এদিন তিনি বলেন, “দেখুন সবার কনভেন্টে পড়ার সৌভাগ্য থাকে না। আমরা মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়ে। আমাদের ইংরেজিটা হয়তো অত ভালো না। তবে আমাদের চেষ্টা থাকে।” এরপর আরো বলেন, “আমি যতদূর জানি জার্মান শব্দ হকস্টার থেকে এসেছে হকার কথাটি। হকার কথার অর্থ, যে মানুষ নিজের প্রোডাক্ট সম্পর্কে চিৎকার করে বলে, তা বিক্রি করার চেষ্টা করেন। আমরা সবাই কি হকার নই? আমরা তো প্রতিদিন নিজেদের যোগ্যতা ও স্কিল বিক্রি করে খাই। তাই ক্রিয়েটরদের ছোট করতে গিয়ে হকারদের কথা বলে উনি নিজেকেই ছোট করে ফেললেন।”