অনির্বাণ ভট্টাচার্যের হবু স্ত্রীকে চেনেন? অভিনেতার সবচেয়ে কাছের মানুষ তিনি, রইলো তার ছবি!

আবির চট্টোপাধ্যায় এবং পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এর পাশাপাশি বাঙালি মেয়েদের ক্রাশ বলতে আমরা বুঝি অনির্বাণ ভট্টাচার্য কে। তাকে একবার চোখের দেখা দেখার জন্য রীতিমতো পাগল হয়ে থাকে বহু নারী। তবে তাদের সকলকে দুঃখ দিয়ে চলতি বছরে বিয়ে করতে চলেছেন ড্রাকুলা স্যার। চলতি বছরের গোড়ার দিকেই সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলে ছিলেন এই অভিনেতা। বাধা দিল করোনা। তাই এই মাসের শেষের দিকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য।

নভেম্বরের ২৬ তারিখ বহুদিনের বান্ধবী মধুরিমা গোস্বামীকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে চলেছেন অনির্বাণ। হবু স্ত্রী ও নাট্যচর্চা র সঙ্গে যুক্ত বহুদিন ধরে। একসঙ্গে তারা বেশকিছু নাটক প্রযোজনা তে কাজও করেছেন। অনির্বাণ এর হবু স্ত্রী মধুরিমার বেড়ে ওঠা একেবারে সাংস্কৃতিক আবহে।মধুরিমার বাবা পদ্মশ্রী খ্যাত মুখাভিনয় শিল্পী নিরঞ্জন গোস্বামী।স্বাভাবিকভাবেই ছোটবেলা থেকে সাংস্কৃতিক পরিবেশে বড় হয়েছে মধুরিমা। তার পড়াশোনা থিয়েটার নিয়ে।

অনির্বাণ এর মত মধুরিমা ও সমাজ এবং রাজনীতি সম্পর্কে ভীষণ সচেতন।দুজনেই সংস্কৃতি জগত থেকে বিলং করেন বলে তাদের মনের মিল চিরকালই অনেকটাই বেশি। শুধুমাত্র অপেক্ষা ছিল তাদের চার হাত এক হবার। অনির্বাণ চিরকালই গড্ডালিকা প্রবাহে বিশ্বাসী নয়। তার বিয়েটাও তিনি করতে চলেছেন প্রথা ভাঙ্গা পথে। মন্ত্র উচ্চারণ করে সাত পাকে বাঁধা পড়বেন না তিনি। ওই সময়টা বাঁচিয়ে তারা করবেন গল্প, খাওয়া-দাওয়া, মজা।

কন্যা পক্ষে র নিমন্ত্রণের বয়ানে লেখা রয়েছে, সাত পাকে বাঁধা না পড়ে সেই সময়টা আমরা হইহুল্লোড় করে কাটাবো। আগামী বৃহস্পতিবার সল্টলেকে ন্যাশনাল মাইম ইনস্টিটিউটে ছোট্ট ঘরে আয়োজন এর মাধ্যমে হতে চলেছে এই অনুষ্ঠান।

চলতি বছর বহুদিন লকডাউন থাকার কারণে বন্ধ ছিল সমস্ত কাজকর্ম। লকডাউনে ঠিক আগেই মুক্তি পেয়েছিল অনির্বাণ ভট্টাচার্যের দ্বিতীয় পুরুষ। অসাধারণ সাফল্য পেয়েছিল সেই সিনেমা। এরপর মুক্তি পেল ডিটেকটিভ, ড্রাকুলা স্যার। সবকটি ছবি অসাধারণ ব্যবসা করেছে বক্স অফিসে। সাথে পেয়েছে সমালোচকদের প্রশংসা। আগামী সময়ে তিনি কাজ করতে চলেছেন ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত গোলন্দাজ সিনেমাতে। আপাতত তিনি তার বিবাহ নিয়ে খুবই ব্যস্ত।