কলকাতার পর এবার জলপাইগুড়িতেও করোনা? সন্দেহভাজন রোগী ঘিরে আশঙ্কা

উপসর্গ গুলি দেখে কর্তব্যরত চিকিত্‍সক ডাক্তার অভিশেখ দের করোনা সন্দেহ হওয়ায় তিনি তার ট্রাভেল হিস্ট্রি শুনতে চান।হিস্ট্রি শুনে করোনা সন্দেহ আরো এক ডাক্তারের পরামর্শ নেয়। তিনি সাথে সাথে বিষয়টি তার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে ঘর ছেড়ে বাইরে যান। এসে দেখেন ঐ যুবক নেই ঘরে।

ঐ যুবক জানায় সে আমদানী রপ্তানি ব্যাবসার সাথে জড়িত। সম্প্রতি চ্যাংরাবান্ধা গিয়েছিলো কয়েকজন চাইনিজ ক্লাইন্ট দের সাথে দেখা করতে। যাদের মধ্যে একজন করোনা আক্রান্ত ছিলো। এরপর সে বাড়ি ফিরে আসে। তারপর থেকে তার জ্বর।

[আরও পড়ুনঃঅবশেষে ফাঁসি হল নির্ভয়ার চার ধর্ষক-হত্যাকারীর]

সে প্রথমে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যায়। সেখান থেকে তিনি সদর হাসপাতালের টিবি ইউনিটে আসে। এই কথা শুনে ডাক্তার বাবু তাকে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে থাকার কথা বলেন।

এই কথা শুনে সে পালিয়ে যায়। ঘটনায় জলপাইগুড়ি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার রমেন্দ্র নাথ প্রামানিক জানান এই বিষয়ে খবর জানা নেই। তিনি খোজ নেবেন বলে জানান। প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নেবেন।

রাতে পুলিশ সুত্রে জানাগেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর ঐ যুবককে খুজতে পুলিশের সাহায্য চায়। গভীর রাতে পুলিশ ঐ যুবকের বাড়ি খুজে বের করে। জলপাইগুড়ি বামনপাড়া জাগ্রত সংঘের কাছে তার বাড়ি এরপর পুলিশ ও স্বাস্থ্য দপ্তর এর টিম গিয়ে পরিবারের সাথে কথা বলে পরিবারের ৩ জন কেই জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

প্রাথমিকভাবে সেই যুবকের করোনাভাইরাস এর উপসর্গ প্রাথমিকভাবে লক্ষ্য করা গেলে সেই যুবককে এবং তার পরিবারের সকলকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে এডমিট করে বলে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানা ও স্বাস্থ্য দপ্তর সুত্রে জানাগেছে। আগামীকাল তাদের লালা রস সহ বিভিন্ন পরীক্ষা করা হবে বলে হাসপাতাল সুত্রের খবর।