বিনোদন

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চার বছর ধরে তরুণীর সাথে সহবাস, অভিযোগ মিঠুনের ছেলের বিরুদ্ধে

প্রেম করে বা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা করার খবর আমরা প্রায়শই শুনতে পাই। অবশ্য এইবারের খবরটি একটু অন্যরকম। শুধু প্রেম করে প্রতারণায় নয় তার সাথে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এবার বলিপাড়ায়। বলিউড এবং টলিউড খ্যাত অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলের বিরুদ্ধে এইরূপ অভিযোগ করেন এক তরুণী।

অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর পুত্র মহাক্ষয় অর্থাৎ যাকে আমরা মিমো বলে চিনি, তারই বিরুদ্ধে এইবার ধর্ষণের অভিযোগ করতে দেখা গেছে। এই তরুণীটির সাথে মিমোর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল ২০১৫ সালে। প্রেমের সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে অনেকবার সহবাসও করে ওই তরুনীর সাথে। আরো জানা গেছে যে প্রথমবার তরুণের সাথে আলাপ করার পর তাকে ড্রিংস এর সাথে মাদক জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে খাইয়ে দেওয়া হয়েছিল, তারপর একটি হোটেলে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে মিমো। বিয়ে করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয় তারপর চলে একাধিকবার ধর্ষণ এইরূপ অভিযোগ তুলেছেন তরুণী।

তরুনীটি এর আগে মুখ খোলেনি তার কারণ হলো মিঠুন পুত্র তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিছু সময় পর থেকে মিঠুন পুত্রের ব্যবহারে পরিবর্তন আসতে থাকে। তার মানসিকতা দেখে তরুণীটি বুঝতে পেরেছিল মিমো তাকে বিয়ে করবেনা। এরপর মানসিক দিক থেকে ভীষণভাবে ভেঙে পড়ে এই তরুণী। শুধু এটুকুই নয়, তরুনীর সাথে একাধিকবার সহবাস করার ফলে অবশেষে তরুণী গর্ভবতী হয়ে যায়। মিমো তাকে গর্ভপাত করার পরামর্শ দিলেন তরুণী কিছুতেই রাজি হয়নি। অবশেষে জোর করে গর্ভপাত করানো হয় এবং অনেক রকম ওষুধও খাওয়ানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

পাশাপাশি তরুণী মিমো এবং তার মায়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেন। তরুণী বলেছেন মিমো এবং তার মা যোগিতা বালি দুজনেই তাকে ভয় দেখিয়ে ছিল যাতে সে এই কথা গুলি প্রকাশ্যে না আনে সে বিষয়ে কিন্তু নির্যাতিতা অবশেষে এফআইআর করতে বাধ্য হয়েছিলেন। এফআইআর করা সত্ত্বেও পুলিশ কোনরূপ পদক্ষেপ নেয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

কিছু সময় পর নির্যাতিতা দিল্লিতে চলে যায়। দিল্লিতে স্থানান্তর হয়ে যাওয়ার পর দিল্লির রোহিনী আদালতে তরুণী এফআইআর দায়েরের অভিযোগ জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। আদালত ওই তরুণীটির থেকে পাওয়া প্রমাণের উপর ভিত্তি করে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন এফআইআর দায়ের করার জন্য। পরবর্তীকালে মিমোর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় মুম্বাইয়ের একটি থানায় কিন্তু এখনও তেমন কোনো ফল হয়নি। এই গুরুতর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিনেতার কোন শাস্তি পাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

Related Articles

Back to top button