ধেয়ে আসছে আঁধি, সঙ্গী প্রবল শিলাবৃষ্টি জারি অরেঞ্জ এলার্ট

strom

করোনা আবহের মাঝে ধেয়ে আসছে আঁধি ঘূর্ণিঝড় সর্তকতা জারি করল ভারতীয় মৌসম ভবন। এর জেরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যাবে দাপটে ঝড় ঝঞ্জা এবং শিলাবৃষ্টি। উত্তর-পশ্চিম ভারতের সব রাজ্যের জন্য জারি হয়েছে মসম ভবনের তরফে অরেঞ্জ এলার্ট।

সকাল থেকেই কালো মেঘে ছেয়ে থাকছে উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা। দিল্লি, হরিয়ানা, চন্ডিগড়, উত্তর প্রদেশ এবং জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরাখণ্ডের বেশ কিছু অঞ্চলে চলবে প্রবল বৃষ্টি। সঙ্গে চলবে আঁধি ঘূর্ণিঝড়। আজ ৩ মে আবহাওয়ার এই ফের পরিবর্তন শুরু হবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর।

স্থল ভাগে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হওয়ার প্রচুর পরিমাণে জলীয়বাষ্প প্রবেশ করেছে আরব সাগর থেকে জানচ্ছে আবহাওয়াবিদরা। এর ফলে তৈরি হচ্ছে নিম্নচাপ বলয় রাজস্থানে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের ফলে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা গতিতে বইবে এই ঝড়ো হাওয়া।

এদিকে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা যায় দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই নিম্নচাপ আরো বেশি ঘনীভূত হবে এবং ২৪ ঘন্টায় পরিনত হবে গভীর নিম্নচাপে। আরো প্রবল নিম্নচাপে পরিণত হবে পরবর্তী ৪৮ ঘন্টায়। পরে সেটি ঘূর্ণবাতের পরিণত হবে। এই সম্ভাব্য ঘূর্ণবাত খুব ধীরে ধীরে ঘনীভূত হওয়ায় সর্বদা এর গতি প্রকৃতির দিকে নজর রাখছে আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা। এর ফলে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবল প্রভাব পরলেও বাংলার উপর পড়বে পরোক্ষ প্রভাব।

এই সিস্টেমে জেড়ে আগামী 6 মে পর্যন্ত আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ প্রবল বৃষ্টিপাত চলবে। তার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই এই রাজ্যে। গভীর নিম্নচাপে আরো কিছু শক্তি বাড়বে এবং তা মায়ানমারের দিকে ধাবিত হবে। উত্তরবঙ্গ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে যে হারে বৃষ্টিপাত ও বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হচ্ছে তা চলবে।