অফবিট

চাকরি ছাড়ার হুমকি মাঝে মধ্যে দিয়েই যান Google -এর CEO! দেখুন সুন্দর পিচাইয়ের জীবনের অজানা কাহিনী

এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন সারা বছরের মাইনে জমিয়ে বাবা আমেরিকা যাওয়ার প্লেনের টিকিট কেটে দিয়েছিলেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুন্দর পিচাই আজ গুগলের কর্তা। পথটা মোটেও সহজ ছিল না। চেয়েছিলেন গুগলের চাকরি ছাড়তে পরিবর্তে তাকে দেওয়া হলো রাজপদ। গুগলের সিইও। কিন্তু মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে কিভাবে এত বড় স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন সুন্দর? সুন্দর সুন্দর জীবন কাহিনী অনুপ্রাণিত করে লক্ষ লক্ষ মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের।

দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু চেন্নাই এর জন্মগ্রহণ করেন তিনি। আশ্চর্য বিষয় এত বড় প্রযুক্তিবিদ হাতে ফোন পেয়েছিলেন 13 বছর বয়সে। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই ল্যান্ড ফোনে ডায়াল করা নম্বর একবার শুনেই মুখস্থ করে তাক লাগিয়ে দিতেন সুন্দর। তামিলনাড়ু থেকে সোজা বাংলা। খড়গপুর আইআইটি তে মেট্রলজিক্যাল সাইনসিটি করার সুযোগ পান তিনি। দাবার বোর্ডের মত অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে চমকে দিয়েছিলেন সহপাঠী এবং অধ্যাপকদের। আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পান তিনি। দুচোখে স্বপ্ন ছিল ক্যালিফোনিয়ার সিলিকন ভ্যালিতে নিজের কর্মজীবন শুরু করবেন। সুন্দরের অধ্যাপক তাকে পিএইচডি করার উপর জোর দিলেও তিনি ধাতব বিদ্যার উপর দ্বিতীয়বার স্নাতকোত্তর করেন। সিলিকন ভ্যালিতে একটি অর্ধপরিবাহী নির্মাতা সংস্থায় কাজে যুক্ত হন সুন্দর।

আরও পড়ুন:   সহবাসের পর যেসব ভুল করলে ভুগতে হবে সারাজীবন

এবার গুগলে চাকরি করার সুবাদে উপলব্ধি করেন আন্তর্জাতিক টেকনিক্যাল বিভিন্ন বিষয়। কিন্তু এক সময় সেই চাকরিতে মন বসেনি সুন্দরের। আগে গুগলের সিইও ছিলেন ল্যারি পেজ। কিন্তু সুন্দরের জন্য সেই জায়গা ছেড়ে দেন তিনি। সেইসঙ্গে গুগলের আলফাবেটস সিস্টেম দেখার দায়িত্ব পড়েছে সুন্দরের উপর। বিরাট এক সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী হলেন সুন্দর পিচাই। শেষ কয়েক বছরে ভারতের নাম উজ্জ্বল করার একটাই নাম সুন্দর। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা থেকে কংগ্রেসের টেষ্টিফাই করা ডেভেলপারদের সঙ্গে কনফারেন্স এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলা সবটাই একা হাতে সামলান সুন্দর। তার সময় গুগলের ব্যপ্তি আরো অনেকটা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সম্প্রতি তিনি গুগলের স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করবার প্রসঙ্গে একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন:   স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে ছেলেকে বিয়ে, কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন মা

একটি চিঠিতে তিনি জানান গুগলকে আরও সুদূরপ্রসারী করতে চান। ভবিষ্যতে সারা বিশ্বে তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়বদ্ধতা তার উপরেই বর্তায়। পাশাপাশি বলেছেন তারা বদ্ধপরিকর। চান কোম্পানির বাবা মা হতে।

Related Articles

Back to top button