দেশজুড়ে দেখা দিতে পারে নুনের অভাব, উৎপাদনকারীরা চিঠি পাঠাল প্রধানমন্ত্রীকে

ভারতে দ্বিতীয় দফায় লকডাউনের দিন সংখ্যা বেড়েছে ৩ মে পর্যন্ত। এরপরই দুশ্চিন্তার প্রহর গুনতে শুরু করেছে সাধারন মানুষ। তাদের মনে বারবার একটাই প্রশ্ন উঠছে নিত্য সামগ্রী দ্রব্যগুলি পাওয়া যাবে তো বাজারে! যদিও সরকার সূত্রে বারবার বলা হচ্ছে যেকোনো পণ্যের ঘাটতি হবে না।

কিন্তু লবণ উৎপাদনের ক্ষেত্রে তা একেবারেই বিপরীত। নুনের জন্য আকাল তৈরি হতে পারে দেশে। এমনকি বন্ধ হতে পারে আগামী দিনে নুনের রপ্তানি। সেই আশঙ্কা প্রকাশ করে সোমবার প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে সল্ট অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃপক্ষ।

সল্ট অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানানো হয়েছে মার্চ থেকে জুন মাসে নুন উৎপাদন করা হয়। এর পরেই শুর হয় বর্ষাকাল। তখন আর নুন উৎপাদন করা সম্ভব না। লকডাউন জের ইতিমধ্যে বেশকিছু সময় নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

ফলের জোরকদমে কাজ শুরু করতে না পারলে দেশজুড়ে ভয়াবহ নুনের অভাব দেখা দিতে পারে। বর্তমানে বন্ধ রয়েছে দেশের অন্যতম নুন উৎপাদনকারী অঞ্চল গুজরাত। এমনকি বন্ধ রয়েছে অন্যান্য মাঝারি এবং নুন উৎপাদনকারী কারখানাগুলি।

জানা যায়, গত 28 শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী সহ পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে চিঠি দেয় সল্ট অ্যাসোসিয়েশন। সেই চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় আগামীতে দেশে নুনের অকাল দেখা দিতে পারে। ভারতে প্রত্যেক বছর মানুষের খাওয়ার জন্য তৈরি হয় 95 লক্ষ মেট্রিক টন নুন। তার মধ্যে এক লক্ষ মেট্রিক টন নুন প্রয়োজন হয় অ্যালকালি কারখানায়।

পাশাপাশি ভারত 58 হাজার মেট্রিক টন নুন রপ্তানি করে বিদেশে। কারখানাগুলি অসংগঠিত শ্রমিক দিয়ে চালানো হয়। করোনা মোকাবিলায় দেশে দ্বিতীয় দফার লকডাউন চলায় তালাবন্ধ অবস্থায় কারখানাগুলি। এই অবস্থায় আগামী দিনে নুন সংকট দেখা দিতে পারে দেশে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সল্ট এসোসিয়েশন।