১৭ মে পরও দেশজুড়ে লকডাউন চালাতে হবে, বৈঠকের পর মত প্রধানমন্ত্রীর

লকডাউন সময়কাল বাড়ানো উচিত। কমপক্ষে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে লকডাউন ১৭ ই মে এর পরেও চালিয়ে যেতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই মত প্রধানমন্ত্রীর। তিনি আবার করোনার বিরুদ্ধে লকডাউনের পথে হাঁটতে চান, তাঁর বক্তব্য এমনই। সোমবার প্রধানমন্ত্রী সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ছয় ঘন্টা বৈঠক করেন। তিনি পৃথকভাবে প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য শোনেন। সেখানেই একের পর এক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা লকডাউন এবং ধীরে ধীরে বাণিজ্যিক খাতের পক্ষে যাওয়ার পক্ষে মতামত প্রকাশ করেছিলেন।

অন্যদিকে, রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেন রাজ্যের পরিস্থিতি অনুসারে কখন লকডাউন উঠবে। কারণ তাদের নিজ নিজ রাজ্যের ক্ষেত্রে, তারা এই সিদ্ধান্তটি খুব ভালভাবে নিতে সক্ষম হবেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এ জাতীয় অনুরোধ জানান। মুখ্যমন্ত্রীদের রাজ্যে করোনার বিষয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে, যেমনটি ছিল পাঞ্জাব, কেরল, পশ্চিমবঙ্গ, ছত্তিসগড় ও উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রীদের।

এরই পাশাপাশি তাঁর রাজ্যে আপাতত বন্ধ থাক ট্রেন যাত্রা, প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছে এই অনুরোধ জানিয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বামী। সূত্র জানিয়েছে যে রাজ্যের যা পরিস্থিতি পালানিস্বামী চান না যে কোনওভাবেই বাইরে থেকে লোকেরা আসুক। আশঙ্কা করা হচ্ছে যে এই সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ৩১ মে পর্যন্ত সমস্ত ট্রেন ও বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখতে বলেছেন। পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রের কাছ থেকে ২৫,০০০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন।

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর মতো তেলঙ্গানা, অন্ধ্র প্রদেশ এবং ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীরা এই মুহুর্তে তাদের রাজ্যে ট্রেন এবং বিমান পরিষেবা চান না।