বিনোদন

মহেশ ভাটকে শান্ত করতে পোশাক ছাড়াই বেড়িয়ে আসেন অভিনেত্রী পারভিন ববি

মহেশ ভাট চর্চার শীর্ষে রয়েছেন বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকে। মহেশ ভাটের নাম জড়িয়েছে সুশান্ত সিং রাজপুতের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী সাথে। তবে এটা নতুন কথা নয় এর আগেও বহু অভিনেত্রীর সাথে মহেশ ভাটের নাম জড়িয়েছে।

বলিউডের কাল দিকের কথা উঠলেই মহেশ ভাটের নাম সবার প্রথমে উঠে আসে। পরিচালক মহেশ ভাট সর্বদাই লাইমলাইটে রয়েছেন কারণ তার নাম উঠে আসে নিজের মেয়ে পূজাকে চুমু খাওয়া, স্টারেদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্কে জড়ানো ও অভিনেত্রী পারভিন ববির সঙ্গে তিক্ত সম্পর্কের জন্য।

ববিকে ব্যক্তিগত জীবনেও ততটাই আকর্ষণীয় দেখা যায় যতটা তিনি সুপারহিট অভিনেত্রী হিসেবে ছিলেন। প্রায় কেউই জানেনা তার জীবনের শুরুর দিকের কিছু ঘটনার কথা।

পারভিন ববির নাম জড়িয়েছে একাধিক সম্পর্কে। পারভিন ববি বেশ খ্যাতি ছিল বলিউডে সাহসী অভিনেত্রী হিসেবে। খবর নিয়ে জানা গেছে অভিনেত্রী মানসিক অবসাদে চলে গেছিলেন ব্যক্তিগত জীবনে কিছু সমস্যার জন্য।

মহেশের সঙ্গে পারভিনের মন দেওয়া নেওয়া শুরু হয় যখন পারভিন অভিনয় জগতের শীর্ষে ছিলেন। মহেশ ভাটের আগে পারভিনের কাবীর বেদির সঙ্গে কি সম্পর্ক ছিল যা ক্ষণস্থায়ী হয়নি।

মহেশ ভাট পারভিনের ব্রেকআপের সুযোগ নিয়ে তার সাথে লিভ-ইন রিলেশনশিপের যায়। এবং ব্রেকআপের কষ্ট ভুলতে পারভিধ মহেশের প্রেমে রীতিমতো ডুবে যায়।

খবর অনুযায়ী জানা গেছে পারভিন কোন পোশাক ছাড়াই মহেশের পিছন পিছন বেরিয়ে আসে তার কারণ মহেশ পারভিনের উপর রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন।

এক সাক্ষাৎকারে মহেশ ভাট জানান, যে তার বেডরুম থেকে বেরিয়ে আসা একমাত্র কারণ পারভিন। মহেশ ভাট রীতিমত অবাক হয়ে গেছিলেন ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে পারভিনের কথা শুনে। এবং মহেশ ভাট রাগের মাথায় ঘর থেকে বেরিয়ে যায় পারভিনের কোন কথার উত্তর না দিয়েই।

মহেশ ভাট জানিয়েছেন যে তিনি সিঁড়ি দিয়েই নামতে শুরু করেন, লিফটের জন্য অপেক্ষা করার চেষ্টাও করেননি তিনি। তাই পারভিন নগ্ন অবস্থায় সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসে মহেশকে আটকাতে। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি কয়েক মাস পরেই সম্পর্কে তাদের চিড় ধরে।

পারভিন ঘরের এক কোণে হাতে চুড়ি নিয়ে বসেছিলেন ১৯৭৯ সালে মহেশ ভাট এমনটিই জানালেন। মহেশ ভাট জানলেন যে অভিনেত্রী তাঁর দিকে তাকিয়ে ইশারা করে চুপ থাকতে বলেছিলেন। মহেশ ভাট অবাক হয়ে গেছিলেন পারভনের কথা শুনে। পারভিন বলেন যে তাকে ঘরে ঢুকে কয়েকজন তাকে হত্যা করার চেষ্টা করেন কয়েকজন।

পারভিন সিজোফ্রেনিয়া নামক মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এমনটিই জানা যায় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরে। তিনি আরো বেশ কয়েকবার এমন অস্বাভাবিক আচরণ করার পরে মহেশ তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়।

পারভিনের অবস্থা খুব খারাপ হলে তাকে ঘরে আটকে রাখা হয়। কারণ তিনি ক্রমাগত ভেবেই চলেছিলেন যে তাকে কেউ খুন করতে চায়।

মহেশ পারভিনের সঙ্গে ২২ বছর ধরে সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন দুই সন্তানের বাবা হওয়া সত্ত্বেও। মহেশের সন্তানের নাম পূজা ও রাহুল ভাট। মহেশ ভাট কিরণের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ১৯৭০ সালে।

কিরণ ভাট মহেশকে ছেড়ে চলে যান পারভিনের সাথে সম্পর্কে জড়ানোর পর। এরপর পারভিনের সাথে লিভ-ইনের তাতে শুরু করেন মহেশ এবং পারভিন অসুস্থ হলে তিনি তাকে ছেড়ে দেন।

এরপর মহেশ বিয়ে করেন সোনি রাজদানকে। সোনি রাজদানের মেয়ের নাম আলিয়া ও শাহিন ভাট। তবে মহেশকে কিছুদিন আগেই বিতর্কে জড়াতে দেখা গেছে তার মেয়ে পূজার সঙ্গে লিপ কিস করার কারণে।

Related Articles

Back to top button