অভদ্র আচরণ কোয়ারেন্টাইনে! চিকিৎসকদের ‘মুখে থুতু’ দিল নিজামুদ্দিনে জমায়েতকারীরা

করোনা সংক্রমণ ভারতবর্ষে বেড়েই চলেছে উত্তরোত্তর। ফলে করোনা সংক্রমণ রুখতে ভারত সরকার তিন সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করেছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির নিজামুদ্দিন ধর্মীয় সমাবেশ হয়। জামায়াতকারীদের অনেকেইর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সংক্রমনের আশঙ্কা রয়েছে যথেষ্ট। বর্তমান উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে তাদের বেশ কয়েকজনকে কোয়ারান্টিনে রাখা হয়েছে। চিকিৎসারত অবস্থায় অভব্যতা করার অভিযোগ উঠল নিজামুদ্দিনের জমায়েতকারীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ওঠে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী কে উদ্দেশ্য করে থুথু ছোঁড়ে তারা। এরপরেই স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে অভিযোগ করে ওই চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

বিভিন্ন মহল দেশে করোনা সংক্রমনের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন রয়েছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও খানিকটা ভয়াবহ করে তুলেছে দিল্লির নিজামুদ্দিন এর ধর্মীয় সমাবেশ। বিভিন্ন জায়গার মানুষ সেখানে উপস্থিত থাকায় করনা সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যায়। কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে জমায়েতকারীদের বাসে করে আনা হয়। সেই সময় তারা বাসের বাইরে থুতু ফেলেন। তাদের বারংবার থুথু ফেলতে বারণ করা হয়। এবং কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ঢোকার পরেও একইরকম আচরণ করে তারা। চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মুখেও থুতু দেয়। হাঁচি-কাশির সময় মুখ থেকে বেরনো থুতুর মাধ্যমে ছড়াতে পারে মারণ ভাইরাস বলছে বিশেষজ্ঞরা।

তাদের আচরণ আরও চিন্তার ভাঁজ বাড়িয়ে দেয়। কোয়ারেন্টাইনের পাশে রয়েছে বসতি এলাকা। তাই সকলের রোগ সংক্রমণের আশঙ্কা করছেন। নর্দান রেলওয়ের মুখপাত্র দীপক কুমার বলেন, “কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে দেওয়া খাবারদাবার খেতে চাইছেন না তারা। চিকিৎসকদের কোনও কথাই শুনছেন না। গৃহবন্দি অবস্থাতেও থাকতে চাইছেন না। পরিবর্তে অশান্তি তৈরি করছেন। স্বাস্থ্যকর্মী এবং চিকিৎসকদের লক্ষ্য করে থুতু ছুঁড়ছেন। আমরা জেলাশাসককে গোটা ঘটনাটি জানিয়েছি। নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা বলেছি।”