বাঙালিয়ানা বজায় রেখে কনের সাজের ভাইরাল ‘মিঠাই’-এর নীপা, দেখুন ছবি

44

জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘মিঠাই’-এ নিপার ভূমিকায় ঐন্দ্রিলা (oindrila saha)-র অভিনয় সকলের মন কেড়েছে। তবে ঐন্দ্রিলা যথেষ্ট ‘হ্যাপি গো লাকি’ মেয়ে। তিনি বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ করতে পছন্দ করেন। শৈশব থেকেই বিনোদন জগৎ-এ কাজ করার সুবাদে তিনি অভিনেত্রী গোছের অহংকারী ভাব দেখাতে পছন্দ করেন না। এহেন ঐন্দ্রিলা কিন্তু গ্ল‍্যামারাস ফটোশুটেও অবলীলায় ক্যামেরাবন্দী হতে পছন্দ করেন। সম্প্রতি তার ফটোশুটের ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কলকাতার ফ্যাশন ফটোগ্রাফার প্রিয়ম বক্সী (priyam bakshi) ব্রাইডাল লুকে ঐন্দ্রিলার ছবি তুলেছেন। তবে ঐন্দ্রিলার কনের সাজ তাঁর মতোই আধুনিক। কপালের চন্দনের ডিজাইন নজরকাড়া। ঐন্দ্রিলাও জানতেন, তাঁর কপালের চন্দন সবার কাছে প্রশংসিত হবে। তাই তিনি ছবির সাথে চন্দন অঙ্কনকারিনীর নামও দিয়েছেন, নেহা মজুমদার (Neha majumdar)। ছবিতে ঐন্দ্রিলার পরনে ছিল সরু সোনালি পাড়ের মেরুন রঙের হ্যান্ডলুম শাড়ি, তার সঙ্গে কালো রঙের সোনালি সিকুইনড বসানো ব্লাউজ। তবে জুয়েলারি ছিল ফিউশন। গলার সোনালি চিকের সঙ্গে তিনি পরেছিলেন দক্ষিণ ভারতীয় ডিজাইনের লম্বা হার। দুই হাতে দুটি বালা ও কপালে সনাতন দক্ষিণ ভারতীয় টেম্পল জুয়েলারি মাঙ্গটিকা। কানেও ছিল টেম্পল জুয়েলারি ঝুমকো। চুলটা অল্প ওয়েভি করে খোলা রেখেছিলেন ঐন্দ্রিলা। চর্চিত চন্দনের সঙ্গে সংমিশ্রণ ঘটেছে মেরুন টিপের। যখন সবাই বাঙালি কনের সাজে সেজে ফটোশুট করছেন, ঐন্দ্রিলা তখন বাঙালিয়ানার সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছেন আধুনিকতাকে।

অভিনয়ের পাশাপাশি আশুতোষ কলেজে পড়াশোনা করেন ঐন্দ্রিলা। তবে এখন অবশ্য অনলাইনেই পড়াশোনা চলছে। পরিবারকেন্দ্রিক ঐন্দ্রিলার কলেজে যাওয়ার পর অনেক বন্ধু হয়েছে। কখনও কলেজে ফর্ম ফিল-আপ করতে যাওয়ার দরকার হলে কলেজের কাজ শেষ হতেই বন্ধুদের সঙ্গে ঐন্দ্রিলা রকে বসে চা খান। বন্ধুমহলে তিনি অভিনেত্রী নন, শুধুই তাঁদের বান্ধবী।

শৈশবে ‘ডান্স বাংলা ডান্স’-এর অডিশনে ঐন্দ্রিলা গিয়েছিলেন। একসময় ঐন্দ্রিলার মাকে ভিতরে ডেকে বলা হয়েছিল, ঐন্দ্রিলা ‘ডান্স বাংলা ডান্স জুনিয়র’-এ সিলেক্টেড, কিন্তু সঞ্চালিকা হিসাবে। সেই সময় ঐন্দ্রিলা একরত্তি মেয়ে। ‘ডান্স বাংলা ডান্স জুনিয়র’-এর মঞ্চ অবলীলায় মাতিয়ে দিয়েছিলেন ছোট্ট ঐন্দ্রিলা।

আরও পড়ুন:   ওম-মিমির বৌভাতেও অভিনবত্বের ছোঁয়া, মেনুতে ছিল নলেন গুড়ের রসগোল্লা ও জিভে জল আনা বহু পদ