দেশ

করোনা ভাইরাসের জেরে কমল চিনির দাম

করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়ল এবার চিনি শিল্পেও। এই ভাইরাসের আতঙ্কে চিনির রফতানি এবং আভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে দাম যথেষ্ট পরিমাণে হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কার কথা সামনে এসেছে। এই ভাইরাসের জেরে ইতিমধ্যে যে কোন ধরনের জমায়েতের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন কোল্ড ড্রিঙ্কস এবং আইসক্রিম থেকে দুরে থাকতে। তাতে কিছুটা হলেও নিরাপদে থাকা যাবে বলে মনে করছেন অনেকে। এই কারণেও চিনির দামের উপরে প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।ইন্দোনেশিয়ার চিনি শিল্প সহ ভারতের চিনি রফতানির ক্ষেত্রেও এই ভাইরাস প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন অনেকে। বিগত পনেরো দিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চিনির দাম ২২ শতাংশ দাম কমে গিয়েছে।

[আরও পড়ুনঃমহিলার উপর প্রথম টিকা, আশার আলো জাগছে বিশ্বে]

এই কারণে ব্রাজিল বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দাম কমিয়ে চিনির উত্পাদন বাড়ানোর চেষ্টা করে চলেছে। যা চিনি রফতানির ক্ষেত্রে ভারতের রফতানিতে বাধা দিতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী চিনির দাম কমিয়ে আনতে পারে বলেও জানিয়েছেন ন্যাশানাল ফেডেরেশান অফ কো অপারেটিভ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রকাশ নায়কনাভরে।

২৪ ফেব্রুয়ারি সাদা চিনির রফতানি মূল্য ছিল ৪২৫ ডলার প্রতি টন এখন তা নেমে এসেছে ৩৫৫ ডলার প্রতি টনে। এছাড়াও কাঁচা চিনির দাম প্রতি পাউন্ডের দাম ১৫.৩ সেন্ট থেকে ১১.০ সেন্টে নেমে এসেছে।

অভিজিত্‍ ঘোড়পাদে নামের এক মহারাষ্ট্রের বিক্রেতা জানিয়েছেন রফতানির জন্য তারা আগে ২৪৬০ টাকা প্রতি কুইন্টাল হিসেবে দিতেন যা কমে কুইন্টাল প্রতি ২১৫০ এসে নেমেছে। এই দাম ভবিষ্যতে আরও ১৯০০ টাকা প্রতি কুইন্টাল হিসেবে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এমনিতেই করোনা ভাইরাসের জেরে কার্যত লক ডাউন হয়ে রয়েছে দেশে। একাধিক অফিস কার্যত কর্মীদের অফিসে আসতে বারণ করে দিচ্ছে। প্রভাব পড়ছে কলকারখানার উপরেও। তারপরে এই ঘটনা সামনে আসায় ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত পড়াটা সময়ের অপেক্ষা।

Related Articles

Back to top button