নিউজঅফবিট

পূরন হল স্বপ্ন, অমিতাভ বচ্চনের KBC-তে গিয়ে রাতারাতি লাখপতি হলেন বাঙালি কন্যা

আমাদের সকলেরই ইচ্ছা করে না কোন সময় কোন বানেগা ক্রোড়পতি নামক রিয়্যালিটি শোতে অংশগ্রহণ করার। কিন্তু এমন ভাগ্য বহু কম মানুষের হয়। তাদের মধ্যেই একজন হলেন মুর্শিদাবাদের মেয়ে এবং কৃষ্ণনগরের বৌমা, কলকাতার বাসিন্দা রুনা সাহা। শুক্রবার তিনি অমিতাভ বচ্চনের কৌন বানেগা ক্রোড়পতি থেকে জিতে নিয়েছেন ২৫ লক্ষ টাকা। স্বাভাবিকভাবেই বহুদিনের স্বপ্ন পূরণে খুবই উচ্ছ্বসিত এই বিজয়ী প্রতিযোগী।তার ২৫ লক্ষ টাকা দিতেন এবার এই সোনালী স্বপ্ন কিভাবে পূরণ হলো তা নিয়ে তিনি কথা বলেন এক বাংলা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে।

রুনা সাহা বলেন যে,”আজ থেকে কুড়ি বছর আগে যখন প্রথম এই রিয়েলিটি শো শুরু হয়, তখন থেকেই আমি দেখতাম। তখন আমার বাড়িতে কেবল কানেকশন ছিল না। পাশের বাড়িতে আমি এবং আমার স্বামী কন বানেগা ক্রোড়পতি দেখতে যেতাম। আমরা দুজনেই অমিতাভ বচ্চনের বড় ভক্ত। তখন থেকেই স্বপ্ন দেখতাম, অমিতাভ বচ্চন এর সামনে যাবার। কিন্তু কোনদিন সেই ইচ্ছা পূরণ হয়নি। বহুবার চেষ্টা করেছি।

কিন্তু এই বছর শুরুর দিকে যখন আমি I VR ফোন পাই, তখন একেবারে দিশেহারা হয়ে যাই। কিন্তু এই কথা আমি আমার মেয়েকে ছাড়া আর কাউকে জানাইনি।কারণ বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আমি কন বনেগা ক্রোড়পতি’তে যাবার আসা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলাম।কিন্তু যখন জুলাই মাসে ইন্টারভিউয়ের জন্য ফোন আসে, তখন আমি আমার স্বামীকে জানাই সমস্ত ঘটনা।

এরপর বাড়ি থেকেই আমার ভিডিও কলে অডিশন হয়েছিল। উনারা নিশ্চিত করেন যে, আগস্ট মাসের শেষের দিকে আমি মুম্বাইতে যাচ্ছি। তখন নিশ্চিত হয়ে আমি সমস্ত ঘটনা আমার মা এবং দাদাকে জানিয়েছিলাম। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে শুটিং হয়েছিল। গতকাল যে এপিসোড দেখানো হয়েছিল, সেটি শুটিং হয় আটাশে সেপ্টেম্বর।পুরো বিষয়টিতে আমি আমার স্বামী এবং মেয়ে এবং পরিবারের অন্যান্যদের ভীষণ উৎসাহ পেয়ে ছিলাম। আমি খুবই খুশি”।

তিনি আরো জানিয়েছেন, “যখন ২৫ লক্ষ টাকা জিতে ছিলাম, তখন আরো বড় অংক খেলার জন্য ঝুঁকি নিলাম না ভয়ে। তবে একটু আফসোস অবশ্যই হচ্ছে, কারণ ৫০ লক্ষ টাকার প্রশ্নটিতে আমি সঠিক উত্তর দিয়েছিলাম। আমি মুর্শিদাবাদের মেয়ে। আমার শ্বশুর বাড়ি কৃষ্ণনগর। আমি বহু বছর বেহালার শকুন্তলা পার্ক এর বাসিন্দা। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রতিবেশী আমি।মুর্শিদাবাদের পাশাপাশি কৃষ্ণনগর এবং কলকাতার মানুষ আমার এই জয়ে খুব খুশি”।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,মুর্শিদাবাদের এই গৃহবধূর বর্তমানে একটি ছোট্ট শাড়ির ব্যবসা রয়েছে। অর্জিত টাকার অংক নিয়ে তিনি তার ব্যবসার বড় করতে চান।

Related Articles

Back to top button