অফবিট

স্কুলের বাথরুমে ক্যামেরা লুকিয়ে শিক্ষিকাদের গোপন ভিডিও তোলা হত, তারপর হঠাৎ

আমাদের সমাজে সবথেকে উপরে মর্যাদা দেওয়া হয় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। তবে মহামারী র প্রাক্কালে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিষয় নিয়ে অনেকেই উপহাস করতে ছাড়েনি। তবে যোগী রাজ্য উত্তরপ্রদেশের মেরাটের বেসরকারি স্কুলে ঘটে গেল একটি ভয়ঙ্কর ঘটনা।

বেসরকারি স্কুল থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবেই কয়েক মাস ধরে বেতন বন্ধ সেই স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের। বেতন চাইতে গেলে উল্টা ভয় দেখানো হচ্ছে। গোপন ভিডিও ফাঁস করে দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষিকাদের অজান্তে স্কুলের বাথরুমের গোপন ক্যামেরায় বিভিন্ন সময়ে তোলা রয়েছে একাধিক ছবি এবং ভিডিও। এই অভিযোগ নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করলেন একসঙ্গে ৫২ জন স্কুল শিক্ষিকা।

লিখিত অভিযোগ পত্রে শিক্ষিকারা জানিয়েছেন, স্কুল কমিটির সম্পাদক শৌচালয়ের আপত্তিকর ছবি এবং ভিডিও দেখিয়ে তাদের নিয়মিত ব্লাকমেইল করছেন। তাদের বকেয়া বেতন চাইলে বারবার আপত্তিকর ভিডিও এবং ছবির কথা বলে তাদের ভয় দেখানো হচ্ছে। শুধুমাত্র পূর্বের বেতন বাকি নয, ভবিষ্যতেও বিনা পারিশ্রমিকের কাজ করিয়ে নেওয়া হচ্ছে তাদের দিয়ে। বিগত কয়েক মাস ধরে তারা পেছনে রেখে টাকা হাতে পাননি। শিক্ষিকাদের যৌথ অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বুধবার একটি এফআইআর নিয়েছে।

বেশ কিছু বছর আগে এই স্কুলের কর্তৃপক্ষ বলেছিল যে, প্রতিটি ছাত্রকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এর মত হেয়ার কাট করতে হবে। উচ্চ ক্লাসের ছেলেদের বলা হয়েছিল, কোন ভাবে দাড়ি রাখা যাবে না।এর ইস্কুল কোন মাদ্রাসা নয় যে নামাজ আদায় করতে হবে।অবশ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এই রকম অভিযোগ একেবারেই অস্বীকার করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন যে, ছেলেদের বাথরুমে ক্যামেরা লাগানো হয়েছে কারণ কয়েকটি স্কুলের বাথরুমে ছাত্রদের খুনের ঘটনা বারবার উঠে আসছিল। তাই আগে থেকে সর্তকতা অবলম্বন করা হয়েছে। কিন্তু মহিলাদের বাথরুমে এরকম কোন ক্যামেরা লাগানো হয়নি।

Related Articles

Back to top button