হানিমুনে গিয়ে গৌরীকে ঠকিয়েছেন শাহরুখ খান!

10

আর যিনি বলিউডের কিং খান, তিনি কিন্তু একদিন এই জায়গায় এসে পৌঁছননী। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ তিনি যে জায়গায় এসে পৌঁছেছেন, সেখানে দাঁড়িয়ে তার একটি কথাতে বদলে যেতে পারে যেকোনো মানুষের ভবিষ্যৎ। কিন্তু প্রথমটা এতটা সুখকর ছিল না,একের পর এক ছবিতে স্ট্রাগল করে তিনি যখন বলিউডে নিজের জায়গা শক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন, তখন থেকে কিন্তু তার পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন তার স্ত্রী গৌরি খান। কখনো কোনভাবেই স্বামীর ওপর আস্থা হারাননি গৌরি খান। স্ত্রীর এই বিশ্বাস ভবিষ্যতে শাহরুখ খানকে লড়াই করার ক্ষমতা দিয়েছিল।

আরও পড়ুন:   পোশাকহীন শরীর, সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় ক্যামেরায় ধরা দিলেন পুনম পান্ডে, ভাইরাল ভিডিও

শাহরুখ খান এবং গৌরি খান অনেক মানুষের কাছে মেন্টর। তাদের প্রেম বহু মানুষের কাছে একটি আদর্শ। তবে প্রথম থেকে তাদের প্রেম এত সাফল্য পায়নি। গৌরীকে ভালবাসলেও গৌরীর বাড়ি থেকে প্রথমে মেনে নিতে পারেনি শাহরুখ খানকে। তাদের চলার পথে এসেছে নানা বাধা বিপত্তি। ভালোবাসাকে কাছে পাবার জন্য বহুবার মিথ্যের আশ্রয় নিতে হয়েছিল শাহরুখ খানকে। কিন্তু সবকিছু জেনে শুনেও কখনো ভালোবাসা কে অস্বীকার করতে পারেনি গৌরী।

আরও পড়ুন:   ছোট্ট ঈশান পেল উপহার, নুসরত-পুত্রের জন্য কি সওগাত পাঠালেন ‘বোনুয়া’ মিমি!

তেমনই একটি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছিলেন শাহরুখ খান তাদের হানিমুন যাবার সময়।বিয়ের সময় তিনি তার স্ত্রীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিয়ের পর তিনি স্ত্রীকে প্যারিসে নিয়ে যাবেন। অন্য আরও চারটি ছেলের মত খুব সাদামাটা প্রতিশ্রুতি ছিল এটি। কিন্তু তখন শাহরুখ খানের এমন অবস্থা ছিল যে, এই প্রতিশ্রুতি কোনভাবেই পরিপূর্ণ করা সম্ভব ছিল না তার পক্ষে।

তাই নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের মতো শাহরুখ খান এবং গৌরি খান বিয়ের পর হানিমুনে গিয়েছেন দার্জিলিং। প্রথমে একটু রাগ করলেও পরবর্তীকালে সেই সমস্ত অভাব অভিযোগ রয়েছে সাফ হয়ে যায়। সেখানে গিয়ে তোলা বিভিন্ন ছবি আজও শাহরুখ খানের কাছে একটি স্মৃতি। অনেক কষ্টে তিনি রাজি করিয়েছিলেন বাড়ির সকলকে।একটি সিনেমার শুটিং আছে বলে জোর করে তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ে গেছিলেন দার্জিলিং। সেখানেই দুজনে পালন করেছিলেন তাদের মধুচন্দ্রিমা।

আরও পড়ুন:   মহালয়ায় ‘লাস্যময়ী' মা দুর্গা সেজে নেটদুনিয়ায় চরম ট্রোলড নুসরাত জাহান

আজ এক কথাতে বিদেশে চলে যাওয়া শাহরুখ খানের কাছে কিন্তু সেই কষ্ট করে যাওয়া দার্জিলিং এর স্মৃতি আজও সমানভাবে সুখকর।