বিনোদন

নেশা করার জন্য নয়, ওষুধ হিসেবে ‘ড্রাগস’ ব্যবহার করতাম, NCB-কে জানাল শ্রদ্ধা কাপুর

চলছে চূড়ান্ত অভিনয়। তবে এবার অভিনয় জগতে নয়, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিজস্ব জগতে। এনসিবির সাথে সম্মুখীন হওয়ার জন্য সবাই কোমর বেঁধে প্রস্তুত হয়েছেন। যেন ক্লাস নিয়ে এসেছেন কিভাবে এনসিবির কঠোর জেরায় পাস করা যায়। এর আগেও শনিবার পালাবদল করে চলেছিল এনসিবির জেরা অভিনেত্রী দীপিকা পাদুকন এবং সারা আলি খান ও শ্রদ্ধা কাপুর এর উপর। দীপিকাকে পাঁচ ঘণ্টা জেরা করার পরেও দীপিকা শুধু হ্যাঁ ও না এর মাধ্যমে উত্তর দিয়েছিল যার জন্য এনসিবি যথেষ্ট অসন্তুষ্ট হয় এবং তাকে ক্লিনচিট দেয়নি।

ওই পাঁচ ঘণ্টা জেরার মধ্যে দীপিকা একাধিকবার কান্নাকাটিও করে বলে এনসিবি জানিয়েছিল এবং তারা এও জানিয়েছিল যে তাদের জেরার মুখে কান্নাকাটি করে কোন লাভ নেই এতে জেরা কমবে না। দীপিকা তার ম্যানেজারের সাথে ড্রাগ ডিলের ব্যাপারটি স্বীকার করলেও সে যে কোনদিন ড্রাগ ব্যবহার করেছিল সেটি মানতে নারাজ। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের এডমিন হওয়া সত্ত্বেও সে বারংবার বলে গেছে যে সে কোনদিন ড্রাগ নেয়নি উপরন্ত সে প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত এর উপর অভিযোগ ঠেলে দেয় যে তিনি সুশান্তকে একাধিকবার ড্রাগনিতে দেখেছিল।

অপরদিকে সারা আলি খান এবং শ্রদ্ধা কাপুরও এনসিবির জেরার সামনে বলেন যে তারা কোনদিন ড্রাগ নেয়নি। প্রথমে শ্রদ্ধা কাপুর এও বলেন যে ছিঁছোরা মুভির শুটিং এর সময় সুশান্তকে একাধিকবার ড্রাগনিতে দেখেছে সে কিন্তু শ্রদ্ধা কোনদিন ড্রাগ নেয় নি। তাতেও সন্তুষ্ট হয়নি এনসিবি। এনসিবি তার তথ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে চালিয়ে গেছে আরো কঠোর জেরা যার ফলাফল স্বরূপ শেষঅব্দি শ্রদ্ধা কাপুর স্বীকার করতে বাধ্য হয় যে সে একাধিকবার ড্রাগ নিয়েছে। শ্রদ্ধা কাপুর, জয়া সাহার থেকে “সিবিডি অয়েল” নামক ড্রাগটি নিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে তার মুখ থেকেই।

এই সিবিডি অয়েল নামক ড্রাগটি এই দেশে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যথানাশক হিসেবে ব্যবহার হয়। এটি ব্যবহার করলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বিভিন্ন রকম ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তাই ভারতে এই ড্রাগটি সম্পূর্ণরূপে আইন নিষিদ্ধ অথচ “সিবিডি অয়েল” একাধিকবার ব্যবহার করেছে শ্রদ্ধা কাপুর এটি সে নিজের মুখে স্বীকার করেন এনসিবির জেরায়।

Related Articles

Back to top button