নিউজঅফবিটদেশ

বাজারে এলো ২৪ ক্যারেট ‘সোনার মিষ্টি’, দাম মাত্র ৯০০০ টাকা

সোনা পছন্দ করে না এমন কোন ব্যক্তি বোধহয় এই পৃথিবীতে নেই। আমরা সকলেই সোনার অলংকার পড়তে খুবই ভালোবাসি। কিন্তু সেই সোনা যদি কেউ খেতে বলে, তখন কেমন লাগবে? হ্যাঁ এমন অবাক করা হলেও কথাটা একেবারে সত্যি। গুজরাটের সুরাতে বিক্রি হচ্ছে সোনার পাতায় মোড়া মিষ্টি।একেবারে ২২ ক্যারেট সোনার পাতের মুড়ে আপনাকে মিষ্টি দেবেন সেখানকার দোকানের লোকেরা। কি ভাবছেন, কিনবেন কে কিনবেন না? তাহলে জেনে নিন, এই ৯০০০ টাকা কেজি মিষ্টি কিনে সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন বহু মানুষ। এই বিখ্যাত মিষ্টির নাম গোল্ড ঘারি।

আর কিছুদিনের মধ্যেই আসতে চলেছে কালীপুজো এবং দিয়ালি। এই উৎসবের মরসুমে এই মিষ্টি প্রস্তুতকারক বিক্রেতা জানালেন যে, এই উৎসবের মরসুমে সকলেই চাইছেন নতুন নতুন চমক পেতে। তাই আমাদের মাথায় এই মিষ্টি তৈরি করার আইডিয়াটা এল। প্রথমে আমরা ভাবছিলাম যে এত দামের মিষ্টি কেউ কিনবেন কিনা। কিন্তু দাম বেশি হলেও এই মিষ্টি কিনবার জন্য প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।

মিষ্টি প্রসঙ্গে তিনি বলেন,সোনা এমন একটি ধাতু যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত পরিমাণে উপকারী। তাই সোনার পাতে মোড়া মিষ্টি খেলে আপনার শরীরে উপকার হবে, তা সকলেরই জানা। গুজরাটের বহুল পরিচিত একটি মিষ্টির নাম ঘারি। তার ওপর সোনার প্রলেপ থাকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

সুরাটের এই মিষ্টি বিক্রেতা জানিয়েছেন যে, এমনিতেই ঘারি বিক্রি হয় ৬০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি দরে। তার ওপর সোনার পাতে মোড়া এই মিষ্টির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার টাকা কেজি। এমনিতেই বাজারে সোনার দাম ক্রমশ বাড়ছে। তাই ক্রমশ ঊর্ধ্বগতিতে সোনার প্রতি চাহিদা কমছে ক্রেতাদের।

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের ভারতের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জানিয়েছেন যে,গত ২৫ বছরে এই প্রথম সর্বনিম্নে সোনার বিক্রি এবং চাহিদা কমেছে।এমনিতেই উৎসবের মরসুমে সেভাবে সোনা কেনা হয়নি মানুষের।

২০২০ সালে প্রথম তিন মাসে সোনার চাহিদা ছিল ২৫২ টন। এটি গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪৯ শতাংশ কম। এ বছরের তুলনায় কত বছরে সোনার চাহিদা ছিল ৪৯৬ টন। গোল্ড কাউন্সিলর মনে করছেন যে, ১৯৯৫ সালের পর এই প্রথম সোনার চাহিদা এতটা কমেছে ভারতে।

Related Articles

Back to top button