৫৯টি অ্যাপকে ৭৯টি প্রশ্ন পাঠাল কেন্দ্র সরকার, আবার কী ফিরতে চলেছে টিকটক?

tiktok-ban

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভারত ব্যান করেছিল ৫৯টি চিনা অ্যাপ। এরপর ভারতে নিষিদ্ধ এই ৫৯টি অ্যাপকে লম্বা একগুচ্ছ প্রশ্নপত্র পাঠাল কেন্দ্র। জানতে চাওয়া হল তাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়-সহ একাধিক বিষয়। আর এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে কেন্দ্রকে। নয়তো ভারতে চিরতরে বন্ধ হবে এই টিকটক, হ্যালো-সহ মোট ৫৯ অ্যাপ। জানা যাচ্ছে, ৭৯টি প্রশ্ন পাঠিয়ে উত্তর চাইল কেন্দ্রের ইলেকট্রনিক অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি(MEITY)।

MEITY-র তরফে বলা হয়েছে, “ভারতে সাময়িক ভাবে নিষিদ্ধ ওই ৫৯টি অ্যাপ কর্তৃপক্ষ যদি ২২ জুলাইয়ের মধ্যে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারে, তাহলে তাদের চিরকালের জন্য ভারতে ব্যান করা হবে।” সূত্রের খবর, ওই ব্যানড অ্যাপ সংস্থাগুলি মূলত যা উত্তর পাঠাবে সেগুলি চলে যাবে একটি স্পেশ্যাল কমিটির কাছে। পরবর্তীতে ওই স্পেশ্যাল কমিটিই ঠিক করবে যে, আদৌ অ্যাপগুলির থেকে সাময়িক ব্যান তুলে নেওয়া যায় কী না।

অন্যদিকে শর্ট ভিডিয়ো মেকিং প্ল্যাটফর্ম TikTok তাদের স্বচ্ছতা রিপোর্টে বলছে, ২০১৯ সালের শেষ ছয় মাস তারা ভারতীয় ইউজারদের মোটমাট ১৬ মিলিয়ন ভিডিয়ো ডিলিট করেছে। কারণ সেই ভিডিয়োগুলি TikTok-এর কন্টেন্ট পলিসি লঙ্ঘন করছিল। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ভারতীয় ইউজারদের ১৬ মিলিয়ন ভিডিয়ো ডিলিট করা হয়েছে, ঠিক সেখানেই সারা বিশ্বে মোট ৪৯ মিলিয়ন ভিডিয়ো ডিলিট করেছে TikTok।

একই সঙ্গে TikTok তাদের স্বচ্ছতা রিপোর্ট জানাচ্ছে যে, ভারত থেকে মোট ৩০২টি আবেদন জমা পড়েছিল তাদের কাছে। যেখানে তারা ৯০ শতাংশ ভারতীয়েরই অনুরোধের মান্যতা দিয়েছে। অন্য দিকে আমেরিকা থেকে ১০০টি অনুরোধ জমা পড়েছিল। আগামী ২২ জুলাইয়ের মধ্যেই ওইসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। নইলে চিরতরে এদেশে বন্ধ হয়ে যাবে ওইসমস্ত অ্যাপ।

কেন্দ্রের কাছে খবর ছিল ওইসব অ্যাপ ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক হতে পারে। আর তাই রাতারাতি বন্ধ হয়েছিল সমস্ত অ্যাপ। ওইসব অ্যাপের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, তাদের কোম্পানি কোন দেশের? তাদের টাকার উৎস কী? কীভাবে তারা সাধারণ মানুষের তথ্য ব্যবহার করে! সার্ভার কোথায় বসানো রয়েছে! ইত্যাদি সহ আরও নানান তথ্য।