করোনা পরিস্থিতিতে বোনাস বাড়ানোর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ১০লক্ষ সরকারি কর্মী পাবেন এই বোনাস

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করোনা পরিস্থিতিতে বোনাস ঘোষণা করলেন। বুধবার তিনি বোনাস ঘোষণা করেন। গত বছরের তুলনায় বোনাস বাড়ানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, বেতন সিলিংও বাড়ানো হয়েছে, এতে সরকারী কর্মচারীরা উপকৃত হবেন।

একদিকে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের জন্য ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করলেন, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারী কর্মীদের জন্য সুসংবাদ দিলেন। তিনি বলেন, ৪২০০ টাকা বোনাস দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। গত বছর ৪০০০ টাকা বোনাস দেওয়া হয়েছিল। এবছর সেটাই বাইয়ে ৪২০০ টাকা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, এ বছর বোনাস পাওয়ার জন্য উরধসীমা ৩০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৪,২৫০ টাকা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, যাদের বেতন ৩৪,২৫০ টাকা পর্যন্ত তারা এই বছর বোনাস পাবেন। ফলস্বরূপ,১০ লক্ষ শ্রমিক উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

একই সাথে মমতা আরও যোগ বলেছেন যে বোনাসটি দিতে সরকারকে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। এর বাইরে যাদের বেতন বেশি এবং যারা বোনাস পান না তাদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী আগাম ঘোষণাও করেছিলেন। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারী কর্মীদের বেতন ৩৪,২৫০ টাকা থেকে ৪১,০০০ টাকা পর্যন্ত ১০ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়া হবে। এটি পরে বেতন থেকে কেটে নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে এই বোনাস এবং অগ্রিমটি এখন মুসলিম শ্রমিকদের এবং পরে দুর্গাপূজার সময় হিন্দু কর্মীদের দেওয়া হবে।

এদিকে, কেন্দ্রের আর্থিক প্যাকেজ আক্রমণ করে মমতা বলেছেন, “করোনার সাথে মোকাবেলা করার জন্য কেন্দ্রের ঘোষিত প্যাকেজটি শেষ পর্যন্ত একটি ঘোড়ার-ডিম” ” মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন প্যাকেজে রাজ্যগুলির পক্ষে কিছুই ছিল না। কেন্দ্রের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, ‘রাজ্যগুলি কীভাবে চলবে?’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গতকাল করোনা মোকাবেলায় ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। আজ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ প্যাকেজটি কোন ক্ষেত্রগুলিতে ব্যয় করা হবে সে সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের প্যাকেজটিকে ‘আইওয়াশ’ হিসাবে উপহাস করেছিলেন।

কেন্দ্রের আর্থিক প্যাকেজটির সমালোচনা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “দুঃখের সময়ে মানুষকে ধোকা দেওয়ার চেষ্টা এটি। প্যাকেজটিতে কর্মসংস্থানের কথা উল্লেখ করা হয়নি। করোনা মোকাবেলা করার জন্য বরাদ্দ কোথায়। কেন্দ্র বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। অর্থ নেই, রাজ্যগুলি কীভাবে চলবে? ‘