নিউজঅফবিটআন্তর্জাতিক

জনসমক্ষে খোলা হল ২৫০০ বছরের মমির কফিন, কি দেখা গেলো? দেখুন ভিডিও

ছোটবেলা থেকেই ইংরেজি সিনেমা “দ্য মামি”, থেকে আমাদের মমির সাথে পরিচয়। মিশরের আনাচে-কানাচে রয়েছে হাজার হাজার না বলা কথা। প্রত্যেকটি পিরামিডের ভেতরে রয়েছে বহু ধনসম্পত্তি এবং মমি। কোন না কোনভাবে সেগুলি উদ্ধার করা যায়নি এখনো। লোভের বশবর্তী হয়ে যে মানুষেরা সেই সব ধরনের সম্পত্তি চুরি করতে গেছেন, অচিরে প্রাণ হারাতে হয়েছে তাদের।

সম্প্রতি এ রকমই একটি আড়াই হাজার বছর পুরানো একটি মমির কফিন খেলা হয়েছে।প্রায় কয়েক হাজার বছর চির ঘুমে মগ্ন একটি নাম না জানা মানুষের কফিন খোলার সাক্ষী থেকে গেল বহু মানুষ। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে।

মমি বলতে আমরা বুঝি, প্রাচীনকালে মিশরের মানুষেরা মনে করতেন যে মৃত্যুর পরেও মানুষের একটি জীবন রয়েছে। তাই প্রিয় জনের মৃত্যুর পর তাদের মৃতদেহ সৎকার না করে মৃতদেহের শরীরে ওষুধ লাগিয়ে সুন্দর করে সেটিকে ব্যান্ডেজ করে একটি কফিনে পুরে রাখা হতো। নিজেদের সঙ্গে দেওয়া হতো তার প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী। একেই আমরা মমি বলে জানি।

মিশরে একটি বিশাল সমাধিক্ষেত্র যা সকলের কাছে মেম্ফিস নামে পরিচিত। সে প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা থেকে সম্প্রতি ৫৯ টি কাঠের কফিন উদ্ধার করা হয়েছে। এই কফিনগুলো এখনো ভালো অবস্থায় রয়েছে। মিশরে পর্যটন এবং প্রত্নতান্ত্রিক মন্ত্রক জানিয়েছেন যে, পুরনো যুগের পুরোহিত সম্প্রদায় এবং সমাজের উঁচু স্তরের মানুষেরা মমি হয়ে এই কফিনে রয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। শনিবার আড়াই হাজার বছর পুরনো এই কফিনগুলো খোলার যে ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশিত করা হয়েছে, তাই এখন ভাইরাল হয়ে গেছে সারা দুনিয়ার মানুষের মধ্যে।

তবে এই মমি উদ্ধার করা নিয়ে অনেক নেতিবাচক মন্তব্য শোনা যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন যে এত প্রাচীন মৃতদেহ কবর থেকে তুলে আনা উচিত হয়নি। মহামারীর প্রাক্কালে এই মমির অভিশাপ লেগে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। এর ফল অনেক ভয়ঙ্কর হতে পারে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মিশরের প্রত্নতাত্ত্বিক মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই তেরোটি কফিনের সাথে আরও তিনটি কূপ আবিষ্কৃত হয়েছে, যেখান থেকে পাওয়া গেছে আরও ১৪ টি কফিন। এই কফিনগুলোকে আপাতত প্রদর্শনের জন্য গির্জার নতুন গ্র্যান্ড জাদুঘরে স্থানান্তরিত করা হবে।

Related Articles

Back to top button