অফবিট

১১৩ কেজি ওজনের দানবীয় মাছ ধরে রাতারাতি লাখপতি হলেন গরীব জেলে

কার কপাল কখনো খুলবে, কার ভাগ্যের চাকা কখন কিভাবে ঘুরবে তা কেউ বলতে পারে না। সময়ের শক্তি প্রচুর। ভাগ্যের চাকা এবং সময় নিমেষে যেমন একটি ধনী মানুষ কে মাটিতে নামিয়ে আনতে পারে তেমনই একটি দরিদ্র মানুষকে রাতারাতি বড়লোক করে দিতে পারে। ভগবান কার উপর কখন সহায় হবেন সেটা কেউ বলতে পারে না। সাম্প্রতিক এমনই একটি নিদর্শন পাওয়া গেল কুড়িগ্রামের চিলমারী নামক একটি উপজেলায়।

উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ব্রহ্মপুত্র নদ। সেই নদীর উপর নির্ভর করি অজস্র মৎস্যজীবীদের সংসার চলে। ছোটখাটো মৎস্যজীবীরাও সেই নদীর উপরেই নির্ভর করে দৈনন্দিন মাছ বাজারে বিক্রি করে তাদের সংসার চালায়।

ওই গ্রামের স্থানীয় এক বাসিন্দার নাম আসাদুল ইসলাম। পেশায় সে ছোটখাটো মৎস্যজীবী। দৈনন্দিন সকালে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে মাছ ধরে বাজারে নিয়ে যায় বিক্রির জন্য এবং তার ওপর নির্ভর করেই চলে তাদের ছোট্ট দারিদ্র সংসারটি। প্রতিদিনের মতোই বুধবার সকালে আসাদুল যায় মাছ ধরতে। কিন্তু কে জানত ঐদিন আসাদুলের ভাগ্যের চাকা কিভাবে ঘুরে যাবে! জালে ধরা পড়ে ১১৩ কেজি ওজনের একটি দৈত্যাকার বাঘায়ির মাছ। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তৎক্ষণাৎ জড়ো হয়ে যায়। সকলেই বিস্ময় প্রকাশ করে এত বড় মাছটিকে দেখে। জানা যায় মাছটি ১০০০ টাকা কিলো দরে স্থানীয় লোকেরা ক্রয় করেন। এর ফলে ওই মৎস্যজীবী লক্ষাধিক টাকার মালিক হয়ে যান।

আসাদুল জানিয়েছে তার পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র এবং তার কিছু দেনাও আছে। ভগবান তার দুঃখ গো সাথেই যেন মাছটিকে উপহার হিসাবে পাঠিয়েছেন তার জালে। মাস্টি বিক্রি হওয়ার পর সে জানিয়েছে এই টাকা দিয়ে তার সমস্ত দেনা মিটে যাবে এবং স্ত্রী সন্তানদের দুবেলা-দুমুঠো ভালো করে খাওয়াতে পারবে।

Related Articles

Back to top button