টিটটক ভিডিও করতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল যুবক

তিন বন্ধু মিলে টিকটিক ভিডিও করছিলেন। ভিডিও শ্যুট বিপদকে সামনে রেখেই চলছিল। আর তা করতে করতে বিশ বছরের এক যুবক ফুলহার নদীতে ডুবে গেল। বিহার-বঙ্গ সীমান্তের কাছে ফুলহার ব্রিজের ঘাটে এই ঘটনা ঘটে। মৃত ব্যক্তির নাম সেলিম আক্তার। বাড়ি মালদার হরিশচন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত কুমেদপুর এলাকার দক্ষিণ তালগ্রামে।

তবে এই ঘটনায় নিহতের পরিবার হত্যার অভিযোগ তুলছে। দুই রাজ্যের পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দুই বন্ধু দাবি করেছেন, ভিডিও করার চেষ্টা করতে গিয়ে সেলিম আক্তার ডুবে গিয়েছিলেন। কিন্তু স্থানীয় লোকেরা সন্দেহজনক হয়ে ওঠে এবং তাদের চাপ দিলে দুই যুবকের কথায় বিভিন্ন অসঙ্গতি পাওয়া যায়। ফলস্বরূপ, বর্তমানে দু’জন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, নাটুন সাদলিচাক গ্রামের বাসিন্দা অসীম ও বাপি টিকটক ভিডিও দেওয়ার নামে মৃত সেলিম আক্তারকে ফুলহার নদীর কাছে নিয়ে যায়। সেলিম ডুবেছিল তখনই।

তবে ফুলহার নদীর কাছে স্থানীয়রা জানিয়েছেন যে তিন যুবক আজ বিকেলে একসাথে নদীতে সাঁতার কাটে। কিছুক্ষণ পর দুই যুবক নদী থেকে উঠে নিজের পোশাক পরে বাড়ির দিকে রওনা হয়। সন্দেহজনক ভাবে তারা দুজনকে ধরে ফেলে। বিহার পুলিশের অন্তর্গত হওয়ার কারণে সেখানে বিহার লাভা ফাঁড়ির পুলিশ উপস্থিত হয়েছিল।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ডুবে যাওয়ার খবর উঠে আসে। নদীর তল্লাশি শুরু হয়েছিল। সেলিমের পরিবারকে এই খবর জানানো হয়েছিল। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সহ স্থানীয়রা সেখানে ছুটে যান। রাত অবধি নদীর তল্লাশির পরে ওই যুবকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। বুধবার সকালে লাশটি ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করে। সেলিমের পরিবার মালদার হরিশচন্দ্রপুর থানায় একটি হত্যার অভিযোগ দায়ের করেছে। ফলস্বরূপ, বিহার পুলিশ পাশাপাশি হরিশচন্দ্রপুর পুলিশ ঘটনার পৃথক তদন্ত শুরু করেছে।