একেই বলে ভাগ্য! তেলেগু ও হিন্দি ছবিতে সফলতা পাননি টলি স্টার জিৎ

20

টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ গাঙ্গুলী। কথায় বলে সফলতা খুব সহজে পাওয়া যায় না এর একমাত্র মাধ্যম সংগ্রাম মানুষকে অনেক দূরে নিয়ে যায় এর প্রমাণ রয়েছে টলিউড জগতে। আমাদের সকলের প্রিয় জিৎ গাঙ্গুলির আসল নাম জীতেন্দ্র মাদনানি। তার কমেডি রোমান্টিক কিংবা একশন সব চরিত্রেই অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন এই ও বাঙালি অভিনেতা।

জিৎ গাঙ্গুলী সেন্ট জোসেফ স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। এরপর তিনি ন্যাশনাল হাই স্কুল থেকে উচ্চ শিক্ষা সমাপ্ত করেন। পরিবারিক সমস্যার কারণে কলেজে ভর্তি হলো পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি। যোগ দিয়েছিলেন বাবার সঙ্গে কাপড়ের ব্যবসায়। ছোটবেলা থেকেই তার ইচ্ছে ছিল বলিউডের অভিনেতা হবেন। তাই কাজের পাশাপাশি মডেলিং-অভিনয়ে ক্লাস করতেন জিৎ। ১৯৯৪ সালে সেই অভিনয়ের ক্লাস থেকেই এক টিভি সিরিয়াল নির্মাতার নজরে আসেন অভিনেতা। এরপর বৃষবিক্ষ ও জন্মভূমি নামের দুটি সিরিয়ালে অভিনয় করেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:   ‘পরম সুন্দরী’ গানে তুমুল নেচে মঞ্চ কাঁপালেন জিৎ-শুভশ্রী, ভাইরাল ভিডিও

লক্ষ্য ছিল বলিউডে অভিনয় করা সেইমতো ১৯৯৫ সালে মুম্বাইয়ের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেন জিৎ। টানা দু’বছর ধরে বিভিন্ন জায়গায় অডিশন দেয়ার পরও একটি মিউজিক অ্যালবামে সুযোগ পান। এরপর যদিও আবার তিনি হিন্দি ছবির অডিশন দেন তবে এবার তাকে নিরাশ হতে হয়। পরবর্তীতে বলিউড ছেড়ে দক্ষিণী ছবিতে তার ভাগ্য পরীক্ষা করতে গেলেও সেখানেও তিনি ফেল হন। ২০০১ সালে ‘চান্দু’ নামক একটি তেলেগু ছবিতে অভিনয় করলেও সিনেমাটি ফ্লপ হয় ও বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে।

আরও পড়ুন:   টিভিতে মায়ের ‘ঝিংকুনাকুর’ গানে নাচ দেখে কোমর দোলাল পুচকে ইউভান, ভাইরাল ভিডিও

এরপর ২০০১ সালে কলকাতায় ফিরে পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তীর ‘সাথী ‘সিনেমায় নতুন মুখ হিসেবে কাজ করেন জিৎ। ২০০২ সালে মুক্তি পেলে ছবিটি বক্স অফিসে ব্যাপক সাড়া ফেলে দেয়। বহু দিন ধরে এই সিনেমাটি সিনেমা হলগুলোতে চলেছিল। দর্শকদের মন জয় করে নেয় এই ছবির একটি গান ‘ও বন্ধু তুমি শুনতে কি পাও’ । এরপর সঙ্গী, নাটের গুরু, থেকে শুরু করে দুই পৃথিবী ,বস, সাত পাকে বাঁধার মতো একের পর এক ছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন জিৎ। যদিও জিতের টলিউডে টার্নিং পয়েন্ট ছিল ‘নাটের গুরু’ সিনেমাটি। এরপর তাকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি।