বৃষ্টি নিয়ে বড়সড় পূর্বাভাস জানালো আবহাওয়া দপ্তর

38

বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় শাহিনে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় গুলাব। আর এর কারণেই ভারতের পশ্চিমে গুজরাট উপকূল বরাবর ভারী বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গুলবের লেজ ধরে উৎপত্তি হয়েছে এই নতুন ঘূর্ণিঝড় শাহিন। যার প্রভাব পড়বে মূলত পশ্চিম দিক বরাবর। তবে এর জেরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপ এবং ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে বানভাসি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে উত্তরবঙ্গ, সিকিম, বিহার এবং ঝাড়খন্ড।

ছবি: বৃষ্টি

আজ শুক্রবার আরব সাগরে তৈরি হবে শাহীন (Shaheen)। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড় অন্ধ্র উপকূল ধরে স্থলভাগ হয়ে তেলেঙ্গানা এবং মহাদেশের উপর দিয়ে অগ্রসর হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর নিম্নচাপে নিজের রূপ পরিবর্তন করেছে। দক্ষিণ গুজরাটের উপকূলে অবস্থান করছে সেই নতুন নিম্নচাপটি। আজই সেই নিম্নচাপ উত্তর আরব সাগরের পরিণত হবে আরও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে। রবিবার স্থলভাগের আছে পড়ার পর থেকেই শক্তির হারিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় গুলাব। মঙ্গলবার আরো শক্তি ক্ষয় হয়েছিল সেই ঘূর্ণিঝড়ের। শক্তিক্ষয় হয়ে তেলেঙ্গানা দক্ষিণ ছত্রিশগড় এবং বিদর্ভ অঞ্চলের উপর দিয়ে আরব সাগরে প্রবেশ করেছিল গুলাব। আরব সাগরে প্রবেশ করতেই আশঙ্কা ফের আরও একটি ঘূর্ণিঝড়ের।

আরও পড়ুন:   টানা ৪ দিন বজ্রবিদ্যুৎ সহ প্রবল বৃষ্টিপাত, বড়সড় আপডেট দিল আবহাওয়া দপ্তর
ছবি: বৃষ্টি

চলতি বছরে আরব সাগরে তৈরি হওয়া দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড় হতে চলেছে এটি। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে আরব সাগরে তৈরি হয়েছিল ঘূর্ণিঝড় তাউত। যার দাপটে বিধ্বস্ত হয়েছিল দেশের পশ্চিম উপকূল এবং গুজরাটের বিস্তীর্ণ অঞ্চল।এবার সেই স্মৃতিকে আরো একবার উস্কে দিতে আসছে শাহিন। এই দুর্যোগের আশঙ্কায় ভারত মহাসাগরে মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সৌরাষ্ট্র, কঙ্কন, উত্তর গুজরাট এলাকায় জারি করা হয়েছে লাল সর্তকতা।

আরও পড়ুন:   শেষপর্যন্ত হার মানলো করোনা, জীবন যুদ্ধে জয়ী হলেন ১০৬ বছরের বৃদ্ধা, প্রশংসার ঝড় দেশজুড়ে

ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ হবে পাকিস্তান। মারকান উপকূল থেকে প্রবেশ করবে স্থলভাগের। ফলে ভারতীয় উপকূলে এর কোনো প্রত্যক্ষ প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে না এমনটাই মনে করছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। তবে মৌসম ভবনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে অতিবৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত হতে পারে সৌরাষ্ট্র এবং গুজরাটের কচ্ছের মানব জীবন। এছাড়াও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে দমন, দিও, দাদরা ও নগর হাভেলিতে। বেশি প্রভাব পড়তে পারে উত্তরের উপকূল কঙ্কনে।